kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

জবির সাংবাদিকতা বিভাগের দশকপূর্তি

‘দেশের পত্রিকাগুলোতে সৃজনশীলতার শিল্পগুণ দেখা যায় না’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুধু বাংলাদেশের ইতিহাস নয়, গোটা বিশ্বের ইতিহাস জানতে হবে। আর তাহলেই জানা যাবে যে আমরা কোথায় আছি। সাহিত্য ও সাংবাদিকতার মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। অতীতে সাহিত্যিকরাই সাংবাদিকতা করতেন। বর্তমানেও সাংবাদিকতা করতে হলে সাহিত্যের প্রয়োজন রয়েছে। সাহিত্য ছাড়া সাংবাদিকতা ভাবা যায় না। সাংবাদিকতায় সৃজনশীলতার শিল্পগুণ থাকা উচিত। বর্তমানে দেশের পত্রিকাগুলোতে এটা দেখা যায় না।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক দশক পূর্তি উপলক্ষে গতকাল রবিবার ‘আমাদের এক দশক’ শীর্ষক আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আহাদুজ্জামান মোহাম্মদ আলী এসব কথা বলে। এই আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল জনপ্রিয় জাতীয় পত্রিকা কালের কণ্ঠ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু একাডেমিক লেখাপড়া করলে হবে না; পাশাপাশি অন্যান্য বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে হবে। বই না পড়লে মনের মুক্তি হবে না। বই পড়াটা শুধু পড়ার জন্য নয়, জীবনের জন্য। আর বেশি টেলিভিশন দেখা যাবে না। কারণ এটা সৃজনশীলতার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. শাহ. মো. নিসতার জাহান কবীরের সভাপতিত্বে এবং সহকারী অধ্যাপক মিনহাজ উদ্দিনের সঞ্চালনায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফরিদা আক্তার খানম, দেশ টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক সুকান্ত গুপ্ত অলোক, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আলোচনাসভা শেষে দুপুর ২টায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে কেক কাটার মধ্য দিয়ে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

প্রসঙ্গত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৮ সালের ৩০ মার্চ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা