kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩০ আষাঢ় ১৪২৭। ১৪ জুলাই ২০২০। ২২ জিলকদ ১৪৪১

পিনাক-৬ লঞ্চ ট্র্যাজেডির পাঁচ বছর আজ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পিনাক-৬ লঞ্চডুবির পাঁচ বছর আজ। এই লম্বা সময়েও পদ্মায় হারিয়ে যাওয়া লঞ্চটির খোঁজ মেলেনি। সরকারি হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৬১ যাত্রী। দুর্ঘটনার পর সে সময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৪৯ যাত্রীর লাশ উদ্ধার হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখনো কি তাদের মনে রেখেছে? স্বজনরা এখন আর পদ্মাপারে এসে সেদিনের মতো খোঁজ করে না। হয়তো তারা ভুলেই গেছে আজকের এই দিনে তাদের স্বজন নিখোঁজ হয়েছিল পদ্মার রাহুল গ্রাসে। আর কোনো দিন হয়তো তাদের খোঁজও পাবে না স্বজনরা। আর উদ্ধার না হওয়া পিনাক লঞ্চটি পদ্মার অতলেই রয়ে গেল।

২০১৪ সালের ৪ আগস্ট ঈদুল ফিতরের কয়েক দিন পর মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে তিন শতাধিক যাত্রী নিয়ে পিনাক-৬ লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়া উদ্দেশে রওনা দেয়। মাওয়ার অদূরে এসে লঞ্চটি পদ্মার ঘূর্ণাবর্তে নদীর বুকে হারিয়ে যায়। পাশ দিয়ে যাওয়া অন্য একটি লঞ্চ থেকে এক যাত্রী ওই লঞ্চডুবির দৃশ্য ভিডিও ধারণ করে।

দুর্ঘটনার পরদিন ৫ আগস্ট রাতে ছয়জনকে আসামি করে লৌহজং থানায় হত্যা মামলা করে বিআইডাব্লিউটিএ। এর আগে ৪ আগস্ট মেরিন কোর্টে পাঁচজনের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা করে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর। পরে গ্রেপ্তার করা হয় পিনাকের মালিক আবু বক্কর সিদ্দিক কালু ও তাঁর ছেলে ওমর ফারুক লিমনকে।

লৌহজং থানার ওসি মো. আলমগীর হোসাইন মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানাতে পারেননি।

 

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা