kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে ভুল আর অপচিকিৎসা

ফুঁসে উঠেছে ভৈরবের মানুষ তদন্তদল মাঠে

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিয়মনীতি না মেনেই চলছে যত্রতত্র গড়ে ওঠা প্রাইভেট হাসপাতাল ও  ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো। এসব হাসপাতালে ভুল আর অপচিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে ভৈরবের সচেতন মানুষ। চিকিৎসকের শাস্তি দাবি করে কয়েক দিন ধরে রাজপথে চলছে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদসভা। পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে মাঠে নেমেছে তদন্তদল। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভৈরব শহর ও আশপাশে ২৯টি বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এসব হাসপাতালের বেশির ভাগেই নেই সার্বক্ষণিক ডাক্তার, ডিপ্লোমাধারী নার্স ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। ভৈরবসহ পার্শ্ববর্তী কুলিয়ারচর, নরসিংদীর রায়পুরা, বেলাব, কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে এসব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে যায়।

অভিযোগ রয়েছে গত ৪ জুলাই ভৈরবের ট্রমা হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় মারা যান চন্ডিবের গ্রামের ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়া। জুয়েলের বড় ভাই কামাল মিয়া ও ছোট ভাই সোহাগ মিয়াসহ স্বজনদের অভিযোগ, হাতের রড খুলতে এসে হাসপাতালের অর্থোপেডিক ডা. কামরুজ্জামান আজাদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিতে গেলে ওয়ার্ড বয় গৌরাঙ্গ ডা. কামরুজ্জামান আজাদের নির্দেশে নিহতের শরীরে মাত্রাতিরিক্ত চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগের ফলে জুয়েলের মৃত্যু হয়।

এসব ঘটনায় চিকিৎসকদের শাস্তি দাবি করে ভৈরব থানা ও কিশোরগঞ্জ আদালতে আলাদা দুটি মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী রোগীর স্বজনরা।

জুয়েলের মৃত্যুর বিষয়ে অভিযুক্ত অর্থোপেডিক চিকিৎসক কামরুজ্জামান আজাদ জানান, ভুল চিকিৎসায় নয়, হার্ট অ্যাটাকে জুয়েলের মৃত্যু হয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা