kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

কুমিল্লায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৩৬

আবুল কাশেম হৃদয়, কুমিল্লা   

৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুমিল্লায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সব শেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৩৬ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২০ জন। সব মিলিয়ে হাসপাতালটিতে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগী ৭০ জন। গত এক সপ্তাহে আরো ৬০ জন চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। এ ছাড়া তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ও হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচজন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে কুমিল্লায় ভয়াবহভাবে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে নগরবাসীসহ জেলার বাসিন্দারা। তবে কুমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, এখানে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীদের সবাই রাজধানী ঢাকা থেকে আক্রান্ত হয়েছে। তাই ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

কুমেক সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিনে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৩০০ রোগী এই হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগের পরীক্ষা করিয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ জনকে ডেঙ্গু রোগী হিসেবে শনাক্ত করেছে হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ। বাকিরা প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ডেঙ্গুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছে। আর ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে যে পরিমাণ কিট রয়েছে তা দিয়ে আগামীকাল শনিবার পর্যন্ত কার্যক্রম চালানো যাবে। এরপর নতুন করে কিট সংগ্রহ করতে হবে।

সরেজমিনে কুমেক হাসপাতালের চিকিৎসক ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া ১৩৭ ডেঙ্গু রোগীর সবাই ঢাকায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের একজন কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের আবদুল করিমের ছেলে শামিম (২৫)। তিনি ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ জুলাই। ঢাকার ধানমণ্ডিতে একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করেন তিনি। শামিম বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পাঁচ দিন আগে শরীরে কিছুটা জ্বর অনুভব করায় পার্শ্ববর্তী একটি ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে যান। তখন ফার্মেসির লোকজন ডেঙ্গুর পরীক্ষা করতে বলে। বিষয়টি রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানতে পেরে আমাকে সঙ্গে সঙ্গেই ছুটি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।’

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা