kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

ডেঙ্গু প্রসঙ্গে কাদের

কার্যকর ওষুধ আসছে, একটু ধৈর্য ধরুন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এডিস মশা নিধনে বিদেশ থেকে কার্যকর ওষুধ আনা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘এখানে কোনো প্রকার আন্তরিকতার ঘাটতি নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কার্যকর ওষুধ বাংলাদেশে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, এ জন্য একটু ধৈর্য ধরতে হবে।’

গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে আওয়ামী লীগের চলমান তিন দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে অংশ নেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মশক নিধনে ব্যবহৃত ওষুধ নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। কার্যকর ওষুধ প্রয়োগে যাতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, এ ব্যাপারে কাজ চলছে। কিছু কিছু ওষুধের নাম এসেছে, যেগুলো ব্যবহারে অন্যান্য দেশে ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে।’

দেশে ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করেছে কি না, জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কী নামে আপনি অভিহিত করলেন সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হলো ডেঙ্গুর আজকের যে অবস্থা, এডিস মশার যে ভয়াবহ উপদ্রব এবং তাণ্ডব সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, এটা বাস্তব এবং এটা সত্য। এই বাস্তব সত্যটাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। এই ভয়াবহতাকে কোন নামে অভিহিত করতে হবে—এ ধরনের কোনো বিষয় নেই। আমরা এই বিষয়টাকে কিভাবে নিলাম, সেটা দেখার বিষয়। আমরা সিরিয়াসলি নিয়েছি।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা মনে করি, এটি একটি মানবিক ক্রাইসিস। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের এগিয়ে আসা উচিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশের সর্বস্তরের মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও এডিস মশার বংশবিস্তার বন্ধে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনা করার জন্য।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যে যা-ই বলুক, দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখন খারাপ অবস্থায় আছে। আমরা ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন। লন্ডনে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে আছেন। সেখানেও তিনি স্বস্তিতে নেই।’

বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা বসে নেই, আমরা শুধু লিপ সার্ভিস দিচ্ছি না। অনেকে পত্রপত্রিকায় লিপ সার্ভিস দিচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে কোনো কার্যকারিতা নেই। ডেঙ্গু প্রতিরোধেও কার্যকারিতা নেই, বন্যাকবলিতদের পাশেও ফটোসেশন ছাড়া কোনো কার্যকম তাদের নেই।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা