kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

বিদ্যালয়ে ছাত্রীকে প্রধান শিক্ষকের ধর্ষণচেষ্টা

বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

বাঘারপাড়া (যশোর) ও কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যশোরের বাঘারপাড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষক ছুটির পর নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের (৫০) বিরুদ্ধে ছাত্রীর বাবা মামলা দায়ের করেছেন। এ ছাড়া কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে এক শিশু শিক্ষার্থীকে (১০) বলাৎকারের ঘটনায় হাফেজ মাওলানা আবদুল্লাহ (২৪) নামের এক কওমি মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় ধর্ষণচেষ্টার ঘটনাটি ঘটে বরভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান দোহাকুলা গ্রামের নূর আলী মোল্যার ছেলে। এর আগে মিজানুর রহমান আগ-দোহাকুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ওই স্কুলেও তাঁর বিরুদ্ধে একই রকম অভিযোগে মামলা হয়েছিল। পরে অভিভাবকদের সঙ্গে মীমাংসা করে মামলা প্রত্যাহার হলে তিনি চাকরিতে পুনর্বহাল হন।

মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার স্কুল ছুটির পর বরভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান (৫০) বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১০) অফিস কক্ষে দেখা করতে বলেন। মেয়েটি অফিস কক্ষে যাওয়ার পর মিজানুর রহমান তাকে জড়িয়ে ধরেন। একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। মেয়েটি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন বিদ্যালয়ে দৌড়ে গেলে মিজানুর রহমান তাকে ছেড়ে দেন। এরপর মিজানুর রহমান দ্রুত মোটরসাইকেলযোগে সেখান থেকে সটকে পড়েন। পরদিন মেয়েটির বাবা বাঘারপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ ওহিদুজ্জামান জানান, প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে মাদরাসায় শিশু শিক্ষার্থী বলাৎকারের ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ধলা ইউনিয়নের সেকান্দরনগর গ্রামের হযরত শাহ সেকান্দর আউলিয়া কওমি মাদরাসায়। গ্রেপ্তারকৃত মাওলানা আবদুল্লাহ উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের বরুহা গ্রামের মো. গেন্দু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, কয়েক মাস আগে ১০ বছর বয়সী ওই শিশুটিকে তার বাবা শাহ সেকান্দর আউলিয়া কওমি মাদরাসায় ভর্তি করান। গত বৃহস্পতিবার রাতে মাদরাসার আবাসিক ছাত্ররা ঘুমাতে যায়। তখন অভিযুক্ত মাওলানা আবদুল্লাহ শিশুটিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করেন। গতকাল শিশুটি বাড়িতে গিয়ে পুরো ঘটনা তার অভিভাবকদের জানায়। একপর্যায়ে তা মাদরাসা কমিটিকেও জানানো হয়। পরে এলাকাবাসী মাদরাসা ঘেরাও করে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন। খবর পেয়ে তাড়াইল থানার পুলিশ মাদরাসায় গিয়ে যৌন নিপীড়ক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা