kalerkantho

দ্বিতীয় উপকূলীয় পানি সম্মেলন শেষ

পানি-স্যানিটেশন বিষয়ে ১৩ দফা খুলনা ঘোষণা

খুলনা অফিস   

৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পানিকে মৌলিক উপাদান বিবেচনায় নিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলের সব উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ, নদী-খাল-পুকুরের ইজারা বন্ধ, গ্রামীণ জনপদে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া, উপকূলীয় পানি সমস্যার সমাধানকল্পে এ অঞ্চলের ১৪ জন সংসদ সদস্যের সমন্বয়ে পার্লামেন্টারি ককাস গ্রুপ গঠন, দরিদ্র মানুষকে স্যানিটেশনের আওতায় আনাসহ ১৩ দফা খুলনা ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দুই দিনব্যাপী দ্বিতীয় উপকূলীয় পানি সম্মেলন।

গতকাল শুক্রবার সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে খুলনা ঘোষণা উপস্থাপন করা হয়। ঘোষণার অন্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে—খোলা জায়গায় পায়খানাকে নিরুৎসাহিত করা, ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে অতিদরিদ্র ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য পায়খানা বরাদ্দ, স্বল্প মূল্যের স্যানিটেশনপ্রাপ্তি, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সংকট মোকাবেলায় সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ, পানির উৎসগুলোকে দূষণের হাত থেকে রক্ষায় এবং পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় মনুষ্য মল ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি।

সম্মেলন সমাপনীতে প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি বলেন, দেশের অন্যান্য এলাকার চেয়ে খুলনা তথা সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার ভৌগোলিক, পরিবেশ ও প্রতিবেশগত পার্থক্য রয়েছে। জলবায়ুগত পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন খুলনা উপকূলীয় এলাকা। এর মধ্যে পানীয়জল সংকটের বিষয়টি সবচেয়ে অগ্রাধিকারযোগ্য। জলবায়ুগত পরিবর্তনের ফলে ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা