kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৩ আগস্ট ২০২০ । ২২ জিলহজ ১৪৪১

সেমিনারে বক্তারা

বঙ্গবন্ধু খুনে পূর্ব পাকিস্তান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়

শোকাবহ ১৫ আগস্ট

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে আবার পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত করা হয়। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আবার দেশে সাম্প্রদায়িক ও অসাম্যের রাজ্যে পরিণত করে। গতকাল বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ আয়োজিত ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অন্তরালে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। এ ছাড়া পৃথক অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িতদের মুখোশ খুলতে কমিশন গঠন করা উচিত।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের পক্ষে ২৩.৭৬ শতাংশ মানুষ ভোট দেয়। এ শক্তিই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানিদের সহযোগিতা করে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আটজন বাঙালি সেনা অফিসার পাকিস্তানের হয়ে যুদ্ধ করে আত্মসমর্পণ করেন। অনেক বাঙালি অফিসার তখন ছুটিতে ছিলেন, কিন্তু স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নেননি। এদের মধ্যে রাষ্ট্রপতি এরশাদ ও মেজর মান্নান ছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও সিরাজ সিকদারের সর্বহারা পার্টি থানা লুটসহ ১৯৭৩ সালে ১৬ ডিসেম্বরকে কালো দিবস ঘোষণা করে। মওলানা ভাসানী তাদের পক্ষে সমর্থন দেন। স্বাধীনতার যত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যত শত্রু ছিল তারা সবাই মিলে ক্ষমতাসীন হয় ১৫ আগস্টের পর। দেশীয় এই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি শুধুই দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করেনি, বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে চীন ও মধ্যপ্রাচের কিছু রাষ্ট্রও ছিল। তাদের ষড়যন্ত্রেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট বাংলাদেশকে পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত করা হয়। সেই পূর্ব পাকিস্তান অব্যাহত থাকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম আনোয়ারা বেগম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা