kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

বন্যা : বগুড়ার কোথাও উন্নতি, আবার কোথাও অবনতি হয়েছে

করতোয়া নদীতে ডুবে দুই তরুণের মৃত্যু

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বগুড়ার পূর্বাঞ্চলে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। দীর্ঘ ২০ দিন নিমজ্জিত বাড়িঘর থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। এদিকে বাঙালি ও করতোয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে থাকায় ধুনট, গাবতলী, শাজাহানপুর ও শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। প্রতিদিন প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।

এদিকে গতকাল বুধবার করতোয়া নদীতে বন্যার পানিতে ডুবে সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র বগুড়া সদরের জয়পুরপাড়া এলাকার ইমতিয়াজ আহমেদ নান্টুর ছেলে আবু সুফিয়ান সাদ (১৮) এবং বগুড়া সদরের শাখারিয়া জঙ্গলপাড়া এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে সোহেল রানা (১৮) মারা গেছে।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ জানান, গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় যমুনা নদীর পানি কমে বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। আর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে আসছে বন্যার ক্ষতির চিত্র। বাঙ্গালী নদীর পানি সামান্য কমলেও গতকাল সন্ধ্যায় বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর প্রভাবে গাবতলী, শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলার ৯৬৯ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে।

এবারের বন্যায় বগুড়ার ছয়টি উপজেলায় মোট ২৬ হাজার হেক্টর জমির ফসল বিনষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ছয়টি উপজেলার তিন লাখ মানুষ। ভেসে গেছে চার হাজার ৫৫২টি পুকুরের মাছ, যার আনুমানিক মূল্য ২৬ কোটি টাকা। বন্যার কারণে গতকাল পর্যন্ত ছয় উপজেলায় মারা গেছে আটজন। গতকাল পর্যন্ত জেলায় বন্যাদুর্গতদের জন্য তিন হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ৯৮২ টন চাল, ১৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার জিআর ক্যাশ ও চার লাখ টাকার শিশুখাদ্য কেনা হয়েছে। গোখাদ্য কেনার জন্য পাওয়া গেছে তিন লাখ টাকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা