kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

বাড্ডায় রেনুর ওপর নৃশংসতা

উসকানিদাতারা ধরা পড়েনি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর উত্তর-পূর্ব বাড্ডা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কয়েকজন নারী অভিভাবকের উসকানিতে ঘটেছে হত্যার ঘটনা। সেই উসকানিদাতাদের কাউকে গতকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে হত্যায় জড়িত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শনিবার সকালে নিহত হওয়ার আগে তাছলিমা বেগম রেনু ওই স্কুলের গেট পার হওয়ার পর কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন। স্কুলের মাঠের পাশে বসে থাকা নারী অভিভাবকদের সন্দেহ হয়। এ সময় দুই নারী তাঁকে নিয়ে যায় স্কুলের দ্বিতীয় তলায় প্রধান শিক্ষিকার কক্ষে। একপর্যায়ে রেনু প্রধান শিক্ষিকার কথা অনুযায়ী কাগজে তাঁর নাম-ঠিকানা লিখছিলেন।

এসব যখন চলছিল দ্বিতীয় তলায় ঠিক তখন নিচে থাকা কয়েকজন নারী স্কুলের বাইরে গিয়ে চিৎকার করে বাজারের লোকদের জানাতে থাকে, স্কুলে ‘ছেলেধরা’ ধরা পড়েছে। শুধু বলা নয়, এলাকার পরিচিতজনদের ফোনও করে তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তর বাড্ডা কাঁচাবাজারের এক ব্যবসায়ী কালের কণ্ঠকে জানান, ঘটনার আগে কয়েকজন নারী এমনভাবে স্কুলের সামনে এসে চিৎকার করে বলছিল যে মনে হচ্ছিল সত্যিকারের ছেলেধরাকে আটক করা হয়েছে। অতি উৎসাহী নারীরা সেদিন যদি এভাবে ঘটনাটাকে না বাড়াত তাহলে এই ঘটনা ঘটত না। 

জানতে চাইলে বাড্ডা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা তদন্ত করে দেখছি কারা কারা সম্পৃক্ত। যাদের উসকানির কারণে এত বড় ঘটনা ঘটল তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।’

উত্তর-পূর্ব বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ বেগম কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, যে দুই নারী অভিভাবক রেনুকে তাঁর কাছে নিয়ে গিয়েছিল তাদের একজনকে তিনি চেনেন। অন্যজন তাঁর অপরিচিত।

হৃদয়সহ সাতজন গ্রেপ্তার : রেনু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে আগে গ্রেপ্তার জাফর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অন্য তিনজনকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। গত সোমবার ও গতকাল মঙ্গলবার আরো তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা