kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

দুধ নিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন হাইকোর্টে

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদন চেয়েছেন আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিএসটিআইয়ের লাইসেন্সধারী কম্পানির পাস্তরিত দুধে ব্যাকটেরিয়া, অ্যান্টিবায়োটিক, ফরমালিন, ডিটারজেন্ট, কলিফর্ম ইত্যাদি ক্ষতিকর উপাদান আছে কি না, সে বিষয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের পরীক্ষা প্রতিবেদন অনানুষ্ঠানিকভাবে হাইকোর্টে দাখিল করেছে বিএসটিআই। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের ল্যাবরেটরি (সায়েন্স ল্যাব), আইসিডিডিআরবির ল্যাবরেটরি এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (সাভার) ল্যাবরেটরিতে পাস্তুরিত দুধের পরীক্ষা শেষে এসব প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। তবে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য সময় চেয়েছে। আজকের (বুধবার) মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই প্রতিবেদন দাখিল করতে আদালতের কাছ থেকে সময় নিয়েছে বিএসটিআই। আদালত আজ শুনানির জন্য দিন ধার্য রেখেছেন। আদালত নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে তাদের পরীক্ষার প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। বিএসটিআইয়ের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান। রিট আবেদনকারীপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার অনিক আর হক ও ব্যারিস্টার মো. তানভীর আহমেদ। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ফরিদুল ইসলাম।

এদিকে দুধে অ্যান্টিবায়োটিক, ডিটারজেন্ট আছে কি না, তা পরীক্ষার সক্ষমতা অর্জন করতে বিএসটিআইয়ের ল্যাবরেটরির কী পরিমাণ সময় ও অবকাঠামো প্রয়োজন সে বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা লিখিতভাবে আদালতকে না জানানোয় আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করেন। আদালত বিএসটিআইকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনাদের কাছে দুটি বিষয়ে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছিল। আদালতের আদেশে এটা স্পষ্ট করে বলা আছে; কিন্তু আপনারা দিলেন একটা। কেন?

তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ওই তিনটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে কী পাওয়া গেছে সে বিষয়ে কোনো আইনজীবী গণমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেননি। আদালত বলেছেন, এই প্রতিবেদন আপাতত আমাদের, আপনাদের (বিএসটিআই ও রিট আবেদনকারীপক্ষের আইনজীবী) মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকুক।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা