kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

ঘুষ কেলেঙ্কারি

দুদকের সাবেক পরিচালক বাছির কারাগারে

নিজস্ব ও আদালত প্রতিবেদক   

২৪ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দুদকের সাবেক পরিচালক বাছির কারাগারে

ঘুষ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেপ্তার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ ও মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে এনামুলের জামিনের আবেদনও নামঞ্জুর করেন।

গতকাল দুপুর ২টার পর এনামুল বাছিরকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তাঁর পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয়। অ্যাডভোকেট কবির হোসেন ও এনামুল খায়ের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

আগের দিন সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে মিরপুরের দারুস সালাম এলাকার একটি বাসা থেকে এনামুল বাছিরকে আটক করে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম।

৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় বাছিরসহ পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে গত ১৬ জুলাই মামলা করা হয়। ফরেনসিক পরীক্ষায় ঘুষ লেনদেন নিয়ে বাছিরের সঙ্গে মিজানের কথোপকথনের অডিওর সত্যতা পাওয়ার পর তাঁদের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়।

পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমানের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধান কর্মকর্তা ছিলেন খন্দকার এনামুল বাছির। ওই অনুসন্ধানের সময় এনামুল বাছির ডিআইজি মিজানের কাছে ঘুষ দাবি করেন। এরপর ৪০ লাখ টাকা লেনদেনও হয়। গত ৯ জুন মিজান-বাছিরের ঘুষ লেনদেনের কথোপকথনের একাধিক অডিও প্রকাশ করেন ডিআইজি মিজান। মিজান দাবি করেন, দুদকের মামলা থেকে বাঁচতে বাছিরকে দুই দফায় (২৫ লাখ ও ১৫ লাখ) টাকা ঘুষ দিয়েছেন তিনি। বিষয়টি ব্যাপক চাঞ্চল্যেরও জন্ম দেয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানের জন্য দুদক সচিব দিলোয়ার বখতকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির সুপারিশে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ এনে ১০ জুন বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে দুদক। এরপর ১১ জুন বাছির দাবি করেন, ঘুষ লেনদেনের কথোপকথনে যে কণ্ঠ শোনা যায় তা সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং সেটা তাঁর নয়। তবে দুদকের অনুসন্ধান ও বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরীক্ষা করিয়ে দুদক জানতে পারে ঘুষ লেনদেনের অডিও সঠিক।

বাছির দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন : এনামুল বাছির মামলায় গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। এ ছাড়া তিনি এই মামলার আলামত নষ্ট করারও বিভিন্ন চেষ্টা চালিয়েছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যাহ গতকাল আদালতে পাঠানো প্রতিবেদনে এ কথা বলেছেন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা