kalerkantho

সোমবার । ২৬ আগস্ট ২০১৯। ১১ ভাদ্র ১৪২৬। ২৪ জিলহজ ১৪৪০

পবার দাবি

দুধের নমুনা সংগ্রহে চাই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক সম্প্রতি পাস্তুরিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের পর তাঁর ওপর যেভাবে অসৌজন্যমূলক ও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে, তা কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে এক আলোচনাসভায় বক্তারা কঠোর সমালোচনা করেছেন। পরিবেশবাদী সংগঠন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন পবাসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন আয়োজিত আলোচনাসভায় বক্তারা বলেছেন, একটি গবেষণালব্ধ ফলাফলের জবাব আরেকটি গবেষণা দিয়েই দেওয়া যৌক্তিক এবং স্বীকৃত পদ্ধতি। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উচিত ছিল জনগুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে অধ্যাপক ফারুকের গবেষণার জন্য তাঁকে সাধুবাদ জানানো। এরপর জনমনে তৈরি হওয়া সংশয় দূর করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন করা রেফারেন্স ল্যাবরেটরি থেকে অভিযুক্ত কম্পানির দুধ সংগ্রহ করে পরীক্ষ করানো। সেই ফলাফল প্রকাশ করা এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু কিছুই করা হয়নি। উল্টো অধ্যাপক আ ব ম ফারুককে দোষারোপ করা হচ্ছে। সভায় পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য দুধের নমুনা সংগ্রহের সময় দুর্নীতিমুক্ত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণের দাবি জানান।

গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এ আলোচনাসভায় পবার পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, দুধের নমুনা সংগ্রহের সময় দ্বৈবচয়ন পদ্ধতি অবলম্বন করে নমুনা নিতে হবে। কোনোভাবেই ঘোষিত পূর্বনির্ধারিত স্থান থেকে সংগ্রহ করা যাবে না। একই সঙ্গে কম্পানির সরবরাহ করা নমুনা দিয়েও পরীক্ষা করা চলবে না। নমুনা সংগ্রহের সময় কয়েক প্রস্ত নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। এতে জনমনে তৈরি হওয়া আশঙ্কা ও আতঙ্ক দূর হবে।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকের পাস্তুরিত দুধ নিয়ে গবেষণা জনস্বার্থে করণীয়’ শিরোনামের আলোচনাসভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. লেলিন চৌধুরী। অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, পাস্তুরিত ও অপাস্তুরিত দুধে মানবদেহের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি শনাক্তের পরিপ্রেক্ষিতে জনস্বাস্থ্য রক্ষা জরুরি প্রয়োজন। জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কম্পানি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থাগুলো বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান (আইপিএইচ) ল্যাবরেটরিগুলোতে যেন এখন থেকে নিয়মিতভাবেই দুধে অ্যান্টিবায়োটিক আছে কি না তা পরীক্ষা করা হয়।

মন্তব্য