kalerkantho

শনিবার । ২০ জুলাই ২০১৯। ৫ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৬ জিলকদ ১৪৪০

চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট বিল পাস

মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সারা বিশ্বে বিটিভি দেখা যাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের জন্য দক্ষ, যোগ্য কলাকুশলী ও নির্মাতা সৃষ্টির জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রি, কারিগরি প্রশিক্ষণ দিতে এবং গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় প্রয়োজনীয় বিধান করতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল-২০১৯ পাস করেছে জাতীয় সংসদ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাস করার জন্য উত্থাপন করা হয়। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

পাস হওয়া বিলে বিদ্যমান আইনের ধারা ৬-এর ১ উপধারা দফা (ড)-এর পরিবর্তে নতুন (ড) দফা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। নতুন দফায় ইনস্টিটিউটের গভর্নিং বডিতে একজন শিক্ষক ও একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাসহ অন্যূন চার থেকে ছয়জন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বরেণ্য ব্যক্তিত্বকে রাখার বিধান করা হয়। বিলে গভর্নিং বোর্ডের সদস্যদের মেয়াদ তিন বছরের পরিবর্তে দুই বছর করা হয়।

বিলটি উত্থাপন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক, পীর ফজলুর রহমান ও বেগম রওশন আরা মান্নান, বিএনপির হারুনুর রশীদ, মোশাররফ হোসেন ও বেগম রুমিন ফারহানা, গণফোরামের মুকাব্বির খান। তাঁরা বিলের ওপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন এবং বিটিভির অনুষ্ঠান ও সংবাদ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন। তবে তাঁদের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে যায়। বিরোধী দলের সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, কয়েক মাসের মধ্যে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সারা বিশ্বে বিটিভি দেখা যাবে। বিল নিয়ে আলোচনাকালে তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘গত কয়েক দশক ধরে বিটিভি ভারতে দেখা যাচ্ছিল না। আমরা ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেছি। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিটিভি সমগ্র ভারতবর্ষে টেরেস্ট্রিয়াল চ্যানেল হিসেবে দেখা যাবে।’

মন্তব্য