kalerkantho

ঈদুল আজহায় বাড়ি ফেরা

২০ সুপারিশ যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈদুল আজহায় বাড়িযাত্রায় সড়ক-মহাসড়ক রক্ষণাবেক্ষণ, রেশনিং পদ্ধতিতে ছুটির ব্যবস্থাসহ ২০টি সুপারিশ তুলে ধরেছে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘ঈদুল আজহার যাত্রা প্রস্তুতি : আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এই সুপারিশমালা তুলে ধরেন সংগঠনের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জি এম কামরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপবন এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনায় উদ্ধারকর্মীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী মাসের প্রথম দিক থেকে বাড়ি যাওয়া শুরু হবে। ঈদ যাত্রার বহরে চার কোটি যাত্রীর ১২ কোটি ট্রিপ সামাল দিতে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশ পথ প্রস্তুত নয় বলে মনে করে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রতিবেদন তুলে ধরে বলা হয়, রেলওয়ের ২৭৮টি ইঞ্জিনের ৭০ শতাংশ মেয়াদোত্তীর্ণ। এক হাজার ৪১০টি কোচের শতাধিক কোচ ব্যবহারের অনুপযোগী, চলছে তীব্র কোচ সংকট। চার হাজার ২৯২ কিলোমিটার রেলপথে তিন হাজার ৬২৯টি রেলসেতু আছে। তার  মধ্যে তিন হাজার ২০০ সেতুই মেয়াদোত্তীর্ণ। এসব সেতুর আয়ু শেষ হলেও নতুন সেতু নির্মিত হয়নি। ফলে কয়েক বছর ধরে ট্রেনে দুর্ঘটনা বাড়ছে।

এ অবস্থায় সংগঠনটি সড়ক-মহাসড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও রেশনিং পদ্ধতিতে ছুটির ব্যবস্থা করা ছাড়াও ১৮টি সুপারিশ তুলে ধরে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সুপারিশ হলো বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল এবং রেলস্টেশনগুলোয় ভিজিলেন্স টিম গঠন করা, সড়কের পাশে কোনো পশুর হাট ইজারা না দেওয়া, সড়কের অস্থায়ী বাজার অপসারণ করা, লক্কড়-ঝক্কড় ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও লঞ্চ চলাচলে নিয়ন্ত্রণ ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, সড়ক-মহাসড়কে পুলিশের লজিস্টিক সরঞ্জাম বৃদ্ধি করা, দুর্ঘটনার পর সড়কে দ্রুত যানজট নিয়ন্ত্রণ ও দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দ্রুত অপসারণে রেকার ও ক্রেন প্রস্তুত রাখা, মহাসড়কে নসিমন-করিমন-ভটভটি-ইজিবাইক, থ্রি-হুইলার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া, টোল প্লাজার সব বুথ খোলা রাখা, জরুরি সার্ভিসগুলো প্রস্তুত রাখা।

আলোচনাসভার পর মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় গত ২৩ জুন উপবন ট্রেন দুর্ঘটনায় উদ্ধারকর্মী মাহাতাব মিয়া, আহসান উদ্দিন ও ফারুক মিয়াকে সংবর্ধনা দেয় সংগঠনটি।

মন্তব্য