kalerkantho

সিজিটিএনকে শেখ হাসিনা

চীন আমাদের উন্নয়নের পথ দেখিয়েছে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চীন বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথ দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত সপ্তাহে বেইজিং সফরকালে চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ককে (সিজিটিএন, সাবেক সিসিটিভি ইন্টারন্যাশনাল) দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ‘কানেক্টিভিটি’ (যোগাযোগ) বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।

দালিয়ানে ‘সামার দাভোস’ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার অভিজ্ঞতাবিষয়ক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওই সম্মেলন ফলপ্রসূ হয়েছে। বর্তমান বিশ্বে আমরা একা চলতে পারি না। সমস্যা সমাধান ও জনগণের উন্নততর জীবনের জন্য আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হয়।’

এবার পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো চীন সফর থেকে প্রত্যাশা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি চীন সফর করতে চাচ্ছিলেন। ১৯৯৬ সালে প্রথম মেয়াদে সরকার গঠনের পরই তিনি প্রথম বিদেশ সফরে চীনে এসেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সুসম্পর্ক আছে। তাঁর বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালে এবং পরে ১৯৫৭ সালে চীন সফর করেছিলেন।

চীন সফর করতে পেরে আনন্দের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চীন আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সফরের এই সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রীকে (চীনের প্রধানমন্ত্রী লি খোয়াছিয়াং) ধন্যবাদ জানাই।’

অবকাঠামো উন্নয়নের বাইরেও ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কোন কোন খাতে সহযোগিতার সুযোগ আছে—এ প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি সব সময় আমাদের সব প্রতিবেশীর সঙ্গে কানেক্টিভিটির গুরুত্বের কথা ভাবি। চীন সত্যিই আমাদের সহযোগিতা করছে। অনেক চীনা কম্পানি আমাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো নির্মাণ করছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার (বিসিআইএম) অর্থনৈতিক করিডর চুক্তি সই করেছি। এটি আমাদের বাণিজ্য, ব্যবসা, যোগাযোগ বাড়াবে এবং ট্রান্স-এশিয়ান হাইওয়ে ও রেলওয়ের জন্য আমাদের যোগাযোগব্যবস্থাকে উন্নত করবে।’

গত ৭০ বছরে চীনের উন্নয়নকে কিভাবে দেখেন এবং এশিয়া ও বাকি বিশ্বের কাছে চীনের এই অর্জনের অর্থ কী—এ প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এক প্রতিবেশী যখন উন্নত হয় তখন অন্য প্রতিবেশীও এর সুফল পায়। আমার প্রতিবেশীর অনেক উন্নতি হচ্ছে। আমরা তাদের কাছ থেকে শিখতে পারি। আমরা একসঙ্গে কাজও করতে পারি।’

মন্তব্য