kalerkantho

শুক্রবার । ২০ চৈত্র ১৪২৬। ৩ এপ্রিল ২০২০। ৮ শাবান ১৪৪১

প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারি চাকরিতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ডোপ টেস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছেন, সরকারি চাকরিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা যদি মাদকাসক্ত হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে ওই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি মাদকাসক্ত হন তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে যখন কেউ ঢুকবে তখন তাকে ডোপ টেস্ট দিয়ে আসতে হবে। যদি তার রক্তে মাদক পাওয়া যায় তাহলে তাকে চাকরি দেওয়া হবে না।

আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকে হত্যা করে না। মাদক কারবারিদের তালিকা বিভিন্ন পর্যায় থেকে আসে। মাদক কারবারিদের তালিকা প্রস্তুত করে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও মাদকবিরোধী অধিদপ্তর। অনেক রোহিঙ্গা মিয়ানমনার থেকে ইয়াবা বহন করে নিয়ে আসে। যখনই বিজিবি তাদের চ্যালেঞ্জ করে তখনই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।’

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের জেলখানায় ধারণক্ষমতা রয়েছে ৪০ হাজার হাজতির। এই মুহূর্তে হাজতি আছে ৮২ হাজার, যার বেশির ভাগই মাদক কারবারি।’ তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নিরাপত্তা শক্তিশালী করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে ভারত আমাদের সাহায্য করেছে। ভারত থেকে ফেনসিডিল আসা ৫০ শতাংশ কমে গেছে।’

রোহিঙ্গাদের অপরাধ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের আমরা আমন্ত্রণ জানাইনি। মিয়ানমার সরকার তাদের বসতঘর থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। মানবিক কারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা তাদের আসতে দিয়েছি। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সব সময় ভালো ভালো কথা বললেও কোনো কিছুই কার্যকর করেনি। তাদের কথায় আর কাজে কোনো মিল নেই।’ তিনি আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের কারণে আমাদের বসতবাড়ি, ফসলি জমি, বনভূমিসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সামাজিকতা নষ্ট হয়েছে। তার পরও মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের আমরা আশ্রয় দিয়েছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা