kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

দাবি পূরণের নোটিশ পেয়ে ক্লাসে ফিরল বুয়েট শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিয়মিত শিক্ষক মূল্যায়ন প্রগ্রাম, নতুন ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালককে অপসারণসহ ১৬ দফা দাবিতে আন্দোলনের সাত দিন পর ক্লাসে ফিরেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। গত শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি পূরণের সুনির্দিষ্ট তারিখসহ নোটিশ পেয়ে গতকাল শনিবার ক্লাসে ফেরে তারা।

আন্দোলনের মুখপাত্র ও বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী হাসান সরোয়ার সৈকত এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শুক্রবার রাতে দাবি পূরণের বিষয়ে নিশ্চয়তা দিয়ে উপাচার্যের স্বাক্ষরসংবলিত নোটিশ পেয়ে তাঁরা ক্লাসে ফিরে গেছেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ফের আন্দোলনে নামা হবে।

প্রসঙ্গত, গত গত ১৫ জুন থেকে ১৬ দফা দাবি নিয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে নামে বুয়েট শিক্ষার্থীরা। দাবি মানতে উপাচার্যকে তিন দিনের আলটিমেটাম দিলেও তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। ফলে ক্যাম্পাসের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় প্রশাসনিক ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে। আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনে শিক্ষার্থীদের দাবিদাওয়া পূরণের আশ্বাস দিয়ে প্রশাসনকে উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার প্রতিটি দাবি পূরণের নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করে নোটিশ দিয়েছে প্রশাসন।

শিক্ষার্থীদের এই ১৬ দফা দাবি হলো বুয়েট গেটের জন্য সিভিল-আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের নিয়ে কমিটি গঠন ও ডিজাইনের জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা আয়োজন করার অফিশিয়াল নোটিশ প্রদান, বিতর্কিত নতুন ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অপসারণ করে ছাত্রবান্ধব পরিচালক নিয়োগ, ছাত্রী হলের ‘সাবেকুন নাহার সনি হল’ নামকরণ, শিক্ষার্থীদের ১০৮ ক্রেডিট অর্জনের পর ডাবল সাপ্লিমেন্ট পুনর্বহাল, ভিসি অফিসে আটকে পড়া বিভিন্ন আবাসিক হলের অবকাঠামোগত কাজ সম্পাদন, ‘সিয়াম-সাইফ’ নামে সুইমিংপুল কমপ্লেক্স স্থাপনে ভিসির স্বাক্ষরসহ নোটিশ, নির্মাণাধীন টিএসসি ভবন ও ন্যাম ভবনের কাজ শুরু করা, নিয়মিত শিক্ষক মূল্যায়ন প্রগ্রাম চালু, সব লেনদেনে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু, নির্বিচারে ক্যাম্পাসের গাছ কাটা বন্ধ ও যত গাছ কাটা হয়েছে তার দ্বিগুণ গাছ উপাচার্যের উপস্থিতিতে লাগানো, গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক মেইল আইডি প্রদান, ওয়াইফাই আধুনিকায়ন, ব্যায়ামাগার আধুনিকায়ন, বুয়েট মাঠের উন্নয়ন ও পরীক্ষার খাতায় রোলের পরিবর্তে কোড সিস্টেম চালু করা।

 

 

মন্তব্য