kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন

রোহিঙ্গারা না ফিরলে চীনের স্বার্থ ব্যাহত হবে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আশ্রিত রোহিঙ্গারা তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে না ফিরলে এ দেশে (বাংলাদেশে) চীনের স্বার্থ ব্যাহত হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি গতকাল বুধবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশে বিদেশি কূটনৈতিক মিশন ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের ব্রিফিংয়ের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী মাসে বেইজিং সফরের সময় চীনের কাছে রোহিঙ্গা ইস্যুটি নতুন করে তুলবেন। রোহিঙ্গারা না ফিরলে বিপদের কথা তিনি চীনকে বোঝাবেন। রোহিঙ্গাদের কারণে উগ্রবাদের উত্থানের ঝুঁকির কথা বাংলাদেশ বেশ আগে থেকেই বলে আসছে। এটি হলে বিদেশিদের বিনিয়োগ ও উন্নয়ন পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে।

জানা গেছে, কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের মিথ্যাচারের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়াতেও তিনি অনুরোধ জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, ‘মানবতার প্রতি যদি সামান্য দরদ থাকে তাহলে আপনারা মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়ান।’

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার কথা রাখেনি উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা যেসব প্রতিবেদন তৈরি করছে ও করাচ্ছে সেগুলো ডাহা মিথ্যা। ৮০০টি গ্রামের মধ্যে মাত্র দুটি গ্রাম আসিয়ানকে দিয়ে সমীক্ষা করিয়ে মিয়ানমার বলাচ্ছে যে ভালো পরিবেশ আছে। বাংলাদেশের কারণে রোহিঙ্গারা ফিরছে না। ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিলেও তারা সেই সংখ্যা বলছে পাঁচ লাখ।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাই না। তাদের নিয়েই আমাদের চলতে হবে। কিন্তু এ রকম ডাহা মিথ্যা আমরা আর কতক্ষণ হজম করব?’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের কথা কেউ বিশ্বাস করে না। ব্রিফিংয়ে অংশ নেওয়া বিদেশি কূটনীতিকরা বলেছেন, তাঁরা বাংলাদেশের সঙ্গে আছেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তাঁদের বলেছি, রাখাইনে, মিয়ানমারে যান। অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য চাপ বাড়ান। মোটামুটিভাবে তাঁরা সবাই এতে রাজি হয়েছেন।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষে গাম্বিয়া ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) মামলা করবে। ওআইসির সব সদস্যই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা