kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

দুই সন্তানসহ মায়ের লাশ

একজনের আত্মহত্যার আলামত, হত্যা সন্দেহে তদন্তে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর উত্তরখানের মৈনারটেকের চাপানেরটেক এলাকার একটি বাড়ি থেকে দুই সন্তানসহ মায়ের লাশ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য এখনো উদ্ঘাটিত হয়নি। অন্তত একজন আত্মহত্যা করেছেন—এমন আলামত পেয়েছে ঘটনাস্থলে যাওয়া ফরেনসিক দল। তবে মা জাহানারা বেগম মুক্তা, তাঁর ছেলে কাজী মুহিব হাসান রশ্মি ও মেয়ে আফিয়া সুলতানা মীমের মধ্যে কে, কাকে হত্যা করেছেন তা নিশ্চিত নয়। আত্মহত্যা কে করেছেন তা-ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ কারণে পুলিশ হত্যার সন্দেহ থেকেই এখনো তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

গত মঙ্গলবার রাতে জাহানারা বেগম মুক্তার ভাই মনিরুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে এই মামলা করেন।

গতকাল বুধবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে এবং উদ্ধার করা আলামত দেখে আত্মহত্যার লক্ষণ পাওয়া গেছে। বোতল, ঘুমের ওষুধ, একাধিক ছুরিসহ অনেক কিছুই রহস্যজনক। কেউ বিষ পান করে থাকলে তা ভিসেরা প্রতিবেদনে আসবে। তখন হয়তো স্পষ্ট হবে, কোন দুজনকে হত্যার পর কে আত্মহত্যা করেছে।’

সোমবার তিনজনের ময়নাতদন্তের পর ডা. সোহেল মাহমুদ প্রাথমিক ধারণা জানিয়ে বলেছিলেন, ‘মা জাহানারা বেগম মুক্তা এবং তাঁর প্রতিবন্ধী মেয়ে আফিয়া সুলতানা মীমের মৃত্যু হয়েছে শ্বাসরোধে। আর জাহানারার ছেলে মুহিব হাসান রশ্মির মৃত্যু হয়েছে গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে।’

উত্তরখান থানার ওসি হেলাল উদ্দিন গতকাল বলেন, ‘তদন্তে এখনো কোনো কিছু নিশ্চিত নয়। তাই নিহত জাহানারা বেগমের ভাই মনিরুল হকের অভিযোগে একটি হত্যা মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। আলামতগুলো পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি প্রার্থনা করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, রবিবার রাতে উত্তরখানের চাপানেরটেকের একটি বাড়ি থেকে মা জাহানারা বেগম মুক্তা (৪৮),  ছেলে কাজী মুহিব হাসান রশ্মি (২৮) ও  মেয়ে মীমের (২০) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মন্তব্য