kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

কবি হেনরী স্বপন জামিন পাননি

ঢাকায় সমাবেশে মুক্তি দাবি, আলটিমেটাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি    

১৬ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কবি হেনরী স্বপন জামিন পাননি

কবি হেনরী স্বপনের মুক্তির দাবিতে গতকাল রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় কবি হেনরী স্বপনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল বুধবার বরিশালের মহানগর হাকিম আদালতে তাঁর জামিনের আবেদন করা হয়। মহানগর হাকিম শামীম আহমেদ আবেদন নামঞ্জুর করেন।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে বরিশাল ক্যাথলিক চার্চের ফাদার লেকা বেলী গোমেজের করা মামলায় গত মঙ্গলবার দুপুরে হেনরী স্বপনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলায় কবি হেনরী স্বপন ছাড়াও ক?বি ও নাট্যকার আল?ফ্রেড সরকার ও বেসরকারি ইনডিপেনডেন্ট টে?লি?ভিশ?নের ব?রিশা?লের ক্যা?মেরাপারসন জু?য়েল সরকার?কে আসামি করা হ?য়ে?ছে।

হেনরী স্বপনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুক্তি না দিলে আগামী শুক্রবার থেকে শাহবাগে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন কবি, লেখক ও সংস্কৃতিকর্মীরা।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন জানান, গত ২১ এপ্রিল শ্রীলঙ্কায় গির্জাসহ কয়েকটি স্থানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় বরিশাল নগরীতে বরিশাল ক্যাথলিক চার্চে ইস্টার সানডের প্রার্থনা হয়। এ নিয়ে কবি হেনরী স্বপন তাঁর ফেসবুকে পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন, যা ভাইরাল হয়ে যায়। ওই স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছেন—এমন অভিযোগ এনে বরিশাল ক্যাথলিক চার্চের ফাদার ডিজিটাল আইনে বরিশাল কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন।

এর আগে গত শনিবার দিবাগত রাতে কবি হেনরী স্বপনকে তাঁর নিজ বাড়িতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বরিশাল ত্যাগ করতে বলে একদল দুর্বৃত্ত। এ ঘটনায় সোমবার রাতে হেনরী স্বপন কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এর এক দিন পরেই তিনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়।

কবি হেনরী স্বপনকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে গতকাল বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সমাবেশ হয়েছে। ‘দমনমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করো’ স্লোগানে ‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে শাহবাগ’ ব্যানারে এই প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন কবি, লেখক, শিল্পী, প্রকাশক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী ও শিক্ষার্থীরা।

মন্তব্য