kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

টিপস

রোজায় সুস্থ থাকতে...

১৬ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রোজায় সুস্থ থাকতে...

১. ইফতার শুরু করুন খেজুর দিয়ে। এটা তাৎক্ষণিক শক্তির বিরাট উৎস। এতে খনিজ, লবণ ও পর্যাপ্ত ভিটামিন থাকে। তাই দীর্ঘ সময়ের রোজা শেষে খেজুর খেয়ে সতেজ হয়ে উঠুন।

২. ইফতারে অবশ্যই শরবত রাখবেন। পারলে কয়েক ধরনের শরবত। এটি আপনাকে পুরো দিনের ক্লান্তি দূর করে দেবে। প্রয়োজনে অন্যান্য খাবারের পদ কমিয়ে শবরতে মন দিন। তবে প্যাকেটজাত উপাদানের নয়, টাটকা ফলের শরবত করে খাবেন।

৩. যতটুকু পারেন ততটুকু খাবেন, এভাবে এগোবেন না। হাজারো খাবার থাকলেও কেবল স্বাস্থ্যকর পদগুলো পরিমিত খান। এতে শরীরের উপকার হবে।

৪. উচ্চমাত্রার ফ্যাট, চিনিযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন। ভাজাপোড়া না খাওয়াই উত্তম। রোজা থাকা অবস্থায় আমাদের দেহ যত বেশি সম্ভব শক্তি সঞ্চয় করে রাখার চেষ্টা চালায়। ইফতারের সময় আরো বেশি ফ্যাট ও চিনির খাবার খেলে দেহ দ্রুত মুটিয়ে যাবে।

৫. বেশি লবণ খাওয়া যাবে না। রোজার পর ইফতারে বেশি লবণ খেলে তা পানিশূন্যতা ঘটায়। এতে আপনি ক্রমাগত তৃষ্ণার্ত বোধ করবেন।

৬. যাঁরা মাগরিবের নামাজে যাবেন তাঁরা হালকা ইফতার করুন। নামাজ শেষে ভরপেট খান। এ সময়টাতে প্রোটিন, আঁশযুক্ত, ভিটামিন ও খনিজপূর্ণ খাবারের মিশেল ঘটাতে হবে।

৭. কিছু খাবার ধীরে ধীরে কার্বোহাইড্রেট ছাড়তে থাকে। এতে গোটা রাত দেহ শক্তি পাবে। আঁশযুক্ত খাবার হজমে সহায়ক হয়ে উঠবে। প্রোটিন দীর্ঘ সময় ধরে আপনার ক্ষুধা নিবারণ করে রাখে।

৮. শরবত, পানি ও আঁশযুক্ত খাবার রমজানে কোষ্ঠকাঠিন্যের অসুবিধা দূর করবে। বর্জ্য উৎপাদন ও তা বের করার প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

৯. তেলে ভাজা খাবারের স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে ফল, সালাদ এবং সবজি দিয়ে প্রস্তুত নানা ধরনের খাবার।

১০. রোজারত অবস্থায় মুখের গন্ধ অস্বাস্থ্যকর অবস্থা প্রকাশ করে না। দীর্ঘক্ষণ না খাওয়ার কারণে ব্যাকটেরিয়া এমনটা ঘটায়। তবে মেসওয়াক, ব্রাশ বা ফ্লস করলে দুর্গন্ধ চলে যাবে।

১১. পেট ভরে পানি না খেয়ে একটু পর পর এক বা আধা গ্লাস করে পানি পান করুন। প্রয়োজনে ১৫-২০ মিনিট অন্তর পানি খান। এতে পেটে চাপ পড়বে না। আবার পানির অভাব পূরণ হবে।

১২. ইফতারের পর পরই কোনো ধরনের ব্যায়াম বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। কারণ এ সময়টায় দেহের রক্তপ্রবাহ সরাসরি পাচনতন্ত্রে গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

১৩. স্বাস্থ্যকর রোজার জন্য সাহরি ছাড়লে চলবে না। এ সময় খাবারে অবশ্যই কার্বোহাইড্রেট, আঁশযুক্ত খাবার আর প্রোটিন রাখবেন।

১৪. সাহরির পর ভালো একটা ঘুম দিন। ঘুম সব ক্লান্তি, জড়তা দূর করে দেবে। এর অভাবে সুস্থতার সঙ্গে রোজা রাখা কঠিন হয়ে যাবে।

ইসলাম টোয়েন্টিওয়ান অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার

মন্তব্য