kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

নাটোরে ঘরে মা ডোবায় শিশু সন্তানের লাশ

নাটোর প্রতিনিধি   

১৬ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাটোরের নলডাঙ্গায় মা শারমিন বেগম ও দুই বছরের শিশুসন্তান আব্দুল্লার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার বাশিলা উত্তরপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় শারমিনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আর শিশুটির লাশ পড়ে ছিল বাড়ির পাশের ডোবায়। তারা এলাকার মাহামুদুল হাসান মুন্নার স্ত্রী-সন্তান। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ শারমিনের দেবর মুক্তা ও জা তানিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে।

এলাকাবাসী ও স্বজনরা জানায়, বছর তিনেক আগে নলডাঙ্গা উপজেলার হরিদাকলসি গ্রামের ওমর আলীর মেয়ে শারমিনের সঙ্গে বাশিলা উত্তরপাড়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে মাহামুদুল হাসান মুন্নার বিয়ে হয়। বছর দুয়েক আগে তাঁদের একটি প্রতিবন্ধী সন্তান জন্ম নেয়। গার্মেন্টকর্মী মুন্না ঢাকায় থাকেন। আর শারমিন শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবর-জার সঙ্গে একান্নবর্তী পরিবারে বাস করতেন। গত মঙ্গলবার রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে শারমিন শিশুসন্তান আব্দুল্লাকে নিয়ে শোয়ার ঘরে চলে যান। সাহরির সময় পরিবারের লোকজন ডাকতে গিয়ে ঘরের ভেতরে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাঁর লাশ পড়ে থাকতে দেখে। পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে এবং শিশু আব্দুল্লার খোঁজ করে। পরে সকাল ৬টার দিকে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

নলডাঙ্গা থানার ওসি শফিকুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শারমিনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পরে প্রতিবন্ধী দুই বছরের শিশুটিকে হত্যা করে লাশ বাড়ির পাশে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। বিষয়টি নৃশংস ও স্পর্শকাতর। পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা