kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

তেল চিনির বাজার স্থিতিশীল হলেও চড়া মাংসের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তেল চিনির বাজার স্থিতিশীল হলেও চড়া মাংসের দাম

আর দুই সপ্তাহ পরেই শুরু পবিত্র রমজান। বর্তমানে চাল, তেল, চিনি, পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল থাকায় ভোক্তারা স্বস্তিতে রয়েছে। তবে গরু ও মুরগির মাংসের চড়া দামের কারণে ভোক্তাদের মাঝে কিছুটা অস্বস্তি আছে।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, সেগুনবাগিচাসহ কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন কম্পানির প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধু চিনিশিল্প করপোরেশনের আখের চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে। খোলাবাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থা টিসিবির বাজার বিশ্লেষণের তথ্য বলছে, খোলা চিনির দাম আগে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় ছিল। এখন সেটি ৫২ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১০৬ টাকায়। তবে দুই লিটারের বিভিন্ন কম্পানির তেল সর্বোচ্চ ২১০ এবং পাঁচ লিটারের বোতল সর্বোচ্চ ৫১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু দোকানে পাঁচ লিটারের বোতলে ৪০ থেকে ৫০ টাকা ছাড় দিয়েও বিক্রি করতে দেখা গেছে। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ২৮ থেকে ৩০ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজ ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কমছে না গরু ও ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম। কোনো কোনো জায়গায় গরুর মাংসের দাম আরো বেড়েছে। সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজারে দুটি দোকানে গরুর মাংসের দাম ৫৫০ টাকা কেজি কাগজে লিখে টাঙিয়ে দিয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে মাসখানেক আগেও এক কেজি গরুর মাংস ৫০০ থেকে ৫৩০ টাকায় পাওয়া যেত।

মাস দুয়েক হয়ে গেলেও কমছে না ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির মাংস এখনো ১৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। রামপুরা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আলমগীর হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, মুরগির মাংসের দাম কমার লক্ষণ নেই। এখন বেশি দাম দিয়ে পাইকারদের কাছ থেকে কিনতে হয়। তাই বেশি দামে বিক্রি করছেন।

তবে কিছুদিন ধরেই সবজির বাজারে যে অস্থিরতা চলছে, সেটিও কমার লক্ষণ নেই; যদিও বাজারগুলোতে নানা ধরনের সবজির সরবরাহে কোনো ঘাটতি লক্ষ করা যায়নি।

মন্তব্য