kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

‘আমার বিপক্ষে কাজ করেছে মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার’

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

২৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘মুক্তিযোদ্ধারা উপজেলা নির্বাচনে আমি নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হওয়ার পরও আমার বিপক্ষে কাজ করেছে, মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার।’ এমন মন্তব্য করেছেন দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনাসভা, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এ মন্তব্য করেন। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মনোরঞ্জন শীল গোপাল।

এদিকে চেয়ারম্যান আমিনুলের এমন মন্তব্যে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল মুক্তিযোদ্ধাদের শান্ত করেন। পরে এমপি মনোরঞ্জন তাঁর বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধারের রাজাকার বলায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘উপজেলা চেয়ারম্যানের বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধারা কষ্ট পেয়েছে, আঘাত পেয়েছে। তাদের আদর্শ ও সম্মানকে আঘাত করা হয়েছে। কারণ বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করলে যেমন বাংলাদেশকে অস্বীকার করা হয়, তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদের অস্বীকার করলে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা হয়। তাই উপজেলা চেয়ারম্যানের উচিত এ বক্তব্য প্রত্যাহার করা।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রায় বলেন মুক্তিযোদ্ধা হলে মানুষ সারাজীবন মুক্তিযোদ্ধা থাকে না। যেসব মুক্তিযোদ্ধা গত ১৮ মার্চ উপজেলা নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে কাজ করেছে, সাম্প্রদায়িক ইজম তুলেছে, সেসব মুক্তিযোদ্ধাকে রাজাকার বলেছি। সব মুক্তিযোদ্ধাকে বলিনি।’

বীরগঞ্জ উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কালিপদ রায় বলেন, ‘উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল আমাদের রাজাকার বলায় আমরা মর্মাহত হয়েছি। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি অবিলম্বে ক্ষমা না চাইলে তাঁর বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা