kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

এসেনশিয়াল অয়েলে পাথরমুক্ত কিডনি

কিডনিতে পাথর বড় এক সমস্যা। তবে এর কার্যকরী এক ব্যবস্থা হতে পারে এনেসশিয়াল অয়েল। আজকের টিপসে এ বিষয়ে মোটামুটি একটা ধারণা নেওয়া যাক—

২৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এসেনশিয়াল অয়েলে পাথরমুক্ত কিডনি

লেমন অয়েল : কিডনিতে পাথর হওয়া ঠেকায় এই তেল। পাশাপাশি কিডনির কার্যক্ষমতা সার্বিকভাবে বৃদ্ধি করে। লিভার থেকে বিষাক্ত উপাদানও বের করে দেয়।

লেমনগ্রাস অয়েল : কিডনির ব্যথা নিরাময়ে এটা খুব কাজ করে। কিডনি এবং আশপাশের অঞ্চলে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়। নারিকেল বা আলমন্ড তেলের সঙ্গে তিন ফোঁটা লেমনগ্রাস এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে দেহের কিডনির অংশে মালিশ করলে ব্যথা উপশম হয়।

সুইট অরেঞ্জ অয়েল : আরেকটি সাইট্রাস পরিবারের তেল যা মূত্রথলির স্বাস্থ্যের দেখভাল করে। এটা ‘ডাইইউরেটিক’ হিসেবেও কাজ করে, যা কিডনির পাথর মূত্রের সঙ্গে বের করে দিতে সহায়ক হয়ে ওঠে।

হেলিক্রিসাম অয়েল : এটা প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। কিডনিকে বিষমুক্ত করতে সক্ষম। কিডনিতে পাথর সৃষ্টি প্রতিরোধ করে।

কিডনির যত্নে বেশ কয়েকভাবে এসব এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করা যায়।

সাধারণ প্রক্রিয়া : এটাই প্রচলিত পদ্ধতি। দেহের কিডনির অংশে তেল ভালো করে ম্যাসাজ করতে হবে, যেন তা ত্বকে মিশে যায়। তবে মনে রাখতে হবে, সরাসরি তেল দেবেন না। আগেই বলা হয়েছে, নারিকেল বা আলমন্ডের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। প্রতি ১০০ মিলি অন্য তেলের সঙ্গে ৩-৫ মিলি এসেনশিয়াল অয়েল মেশাবেন।

শ্বাস গ্রহণ : এর জন্য সেরা উপায়টি হলো নেবুলাইজার। দ্রুততম সময়ে নিরাপদে রক্তে মিশিয়ে দেওয়া যায়। এ পদ্ধতিতে এসেনশিয়াল অয়েলের সঙ্গে পানি বা অন্য তেল মেশানোর প্রয়োজন হয় না। নেবুলাইজার ডিফিউজার একে বাষ্পে পরিণত করবে এবং তা শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করতে হবে।

দেহের অভ্যন্তরে গ্রহণ : এ পদ্ধতি কখনোই নিজের ইচ্ছামতো করা যাবে না। অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ দরকার। এই উপায়ে সরাসরি রক্তে গ্রহণ করা হয় এবং এর উপাদানগুলো কিডনি ও মূত্রনালিতে ক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে। অভিজ্ঞ অ্যারোমাথেরাপিস্ট কাজটি নিরাপদে করতে পারেন।

সুফল পেতে : কিডনিকে নিরাপদ রাখতে এসব তেলের সর্বোচ্চ কার্যকারিতা পেতে বেশ কিছু কাজ করা দরকার। যেমন—

♦  চিনিপূর্ণ পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং জাংক ফুড পুরোপুরি ত্যাগ করা বাঞ্ছনীয়।

♦  পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ খাবার পানি পান করতে হবে।

♦  নিয়মিত ব্যায়াম জরুরি। এতে করে দেহ নিজেই পাথর নিয়ন্ত্রণে কার্যকর হয়ে ওঠে।

♦  পরিশ্রমী হওয়া উচিত। তবে তাল মিলিয়ে যথেষ্ট বিশ্রামও নিতে হবে।

অর্গানিক্স অ্যারোমা অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা