kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা

সাজা স্থগিত চেয়ে লিভ টু আপিল খালেদার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার অনুমতি চেয়ে (লিভ টু আপিল) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছে। এ আবেদনে হাইকোর্টের দেওয়া সাজা স্থগিত চাওয়ার পাশাপাশি জামিন আবেদনও করা হয়েছে।

আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় গতকাল বৃহস্পতিবার এ আবেদন করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটির পর এ আবেদনের ওপর শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘একতরফাভাবে শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় দিয়েছে। আমাদের আবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।’

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত বছরের ৩০ অক্টোবর এক রায়ে খালেদা জিয়াকে নিম্ন আদালতের দেওয়া পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন। একই সঙ্গে অন্য দুই আসামি সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখেন। খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ রায় দেওয়া হয়। এরপর গত ২৮ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ বিচার শেষে গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি রায় দেন। রায়ে ছয় আসামির মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সাজা দেওয়া হয়। অন্য পাঁচ আসামি খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান, মাগুরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মোমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সব আসামিকে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই ছয়জনের মধ্যে তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মোমিনুর রহমান পলাতক।

এ রায়ের বিরুদ্ধে গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। এ আপিল ২২ ফেব্রুয়ারি গ্রহণ করে নিম্ন আদালতের দেওয়া জরিমানার রায় স্থগিত করেন হাইকোর্ট। পরে চার যুক্তিতে গত বছরের ১২ মার্চ হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন। পরে কাজী কামাল ও শরফুদ্দিন আহমেদ পৃথকভাবে দুটি আপিল করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা