kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ডুমুরের স্বাস্থ্যগুণ

১৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডুমুরের স্বাস্থ্যগুণ

ডুমুর : নরম ত্বক ও বেশ কয়েকটি বিচি রয়েছে এর ভেতরে। মিষ্টি এক ফল। একে বলা হয় প্রকৃতির ক্যান্ডি। কারণ এতে প্রাকৃতিক চিনির মাত্রা বেশি। প্রজাতিভেদে এর বেগুনি, লাল, সবুজ ও স্বর্ণালি হলুদ রঙ হয়।

ওজন হ্রাস : এ কাজে বেশ পারদর্শী ডুমুর। তাই স্থূলকায়দের ডুমুর খেতে বলা হয়। জার্নাল অব দি আমেরিকান কলেজ অব নিউট্রিশনের এক গবেষণায় বলা হয়, ওজন কমানোর পাশাপাশি জরুরি পুষ্টি উপাদানগুলোর সরবরাহ নিশ্চিত করে ডুমুর। আবার এ ফলে আছে প্রচুর ক্যালরি। তাই ওজন বৃদ্ধির ভয়ও থাকে। কাজেই অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। নির্দিষ্ট পরিমাণে খেলে ওজন কমাতে সহায়তা করে ফলটি।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ : আমরা লবণের মাধ্যমে সোডিয়াম গ্রহণ করি। কিন্তু উচ্চমাত্রার সোডিয়াম ও নিম্নমাত্রার পটাসিয়াম গ্রহণের কারণে উচ্চ রক্তচাপের মতো মারাত্মক সমস্যায় ভুগি আমরা। ডুমুরে মেলে বেশি পটাশিয়াম আর কম সোডিয়াম। কাজেই উচ্চ রক্তচাপ সামলাতে এর জুড়ি নেই। কাজেই যারা হাইপারটেনশনে ভুগছেন, তাঁরা নিয়মিত ডুমুর খেতে পারেন।

হাড়ের গঠন : প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে ডুমুরে। তাই হাড়ের গঠন মজবুত করে এটি। সেই সঙ্গে অস্টেয়পরোসিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমায় ডুমুর। এতে আরো আছে ফসফরাস। এটাও হাড়ের সুগঠন নিশ্চিত করে এবং কোনো সমস্যা থাকলে তা সারাইয়ের কাজও করে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : এ রোগে আক্রান্তদের ডুমুর খাওয়ার পরামর্শ দেয় আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন। কারণ তা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভালো কাজ দেয়। যারা নিয়মিত ইনসুলিন গ্রহণ করে, ডুমুর খেলে তার ইনসুলিন গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা কমে আসে। এত আছে পটাসিয়াম। তাই খাবার গ্রহণের পর দেহ যে পরিমাণ চিনি পায় তা নিয়ন্ত্রণের কাজ করে ডুমুর।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট : পলিফেনল এক শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। দেহের দেখভালে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস প্রতিরোধে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের বিকল্প নেই। দেহে বিদ্যমান ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমিয়ে আনে ডুমুর। এটা এমন এক উপাদান যা হৃদরোগের কারণ হয়ে ওঠে।

অর্গানিক ফ্যাক্টস অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা