kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিদের মত

নারীর ক্ষমতায়নে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সমাজে নারী-পুরুষের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা। তাঁরা নারীর প্রতি সব সহিংসতা প্রতিরোধ এবং নারীর সমনাগরিকত্ব ও অর্থনেতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে গতকাল রবিবার রাজধানীর ধানমণ্ডির ছায়ানট ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই দাবি জানানো হয়। উন্নয়ন সংস্থা ‘ইউবিআর বাংলাদেশ অ্যালায়েন্স’, ‘হ্যালো আই অ্যাম’ কনসোর্টিয়াম ও ‘আরএইচআরএন প্ল্যাটফর্ম’-এর যৌথ উদ্যোগে কবিতা, নাটক ও আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।

নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারওয়েইজ ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. অসা টর্কেলসন। আলোচনায় অংশ নেন দুস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ডা. দিবালোক সিংহ, আরএইচস্টেপের নির্বাহী পরিচালক কাজী সুরাইয়া সুলতানা, বন্ধুর সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সালেহ আহমদ ও উন্নয়নকর্মী উম্মে হাবিবা।

অনুষ্ঠানের মেহের আফরোজ চুমকি এমপি নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার নিশ্চিতকরণে সরকারের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরে বলেন, সঠিক নীতি গ্রহণের কারণে নারীর উন্নয়নে বাংলাদেশ অনেক অগ্রসর হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বে, এমনকি ব্যবসা-বাণিজ্যে নারীরা আর পিছিয়ে নেই। বিশেষ অতিথি হ্যারি ভারওয়েজ বলেন, নারী ও মেয়ে শিশুদের লিঙ্গসমতা অর্জনে সরকার আন্তরিক। সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণে নেদারল্যান্ডস সরকার সব সময় পাশে থাকবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা