kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

আইসিইউ-সিসিইউ সংখ্যা জানতে চান হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকগুলোতে কতগুলো ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ), করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) আছে, এর পরিসংখ্যান জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে একটি আইসিইউ বা সিসিইউ ইউনিট স্থাপনে কত টাকা খরচ হয়, কী পরিমাণ লোকবল ও বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন তারও তথ্য চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কোন কোন বেসরকারি হাসপাতাল অসহায়, গরিব ও অসচ্ছল রোগীদের জন্য ১০ শতাংশ বেড বরাদ্দ রেখেছে এবং বিনা মূল্যে চিকিৎসা সুবিধা দিচ্ছে তার একটি তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। কারা এ আইন মানছে না তাদের তালিকাও দিতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। স্বাস্থ্যসচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এসব প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইসিইউ ও সিসিইউ বিষয়ে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে এবং ১০ শতাংশ সিটের বিষয়ে ৮ মের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে পৃথক দুটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

আদালত অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনার পাশাপাশি রুল জারি করেন। রুলে সারা দেশে সব বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে ১০ শতাংশ সিট বরাদ্দ রাখা এবং গরিবদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ল’ ইয়ার্স অ্যান্ড সিকিউরিং এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের পক্ষে সংগঠনটির কোষাধ্যক্ষ মো. শাহ আলম এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আবু তৌহিদ ভুইয়া প্রিন্সের করা পৃথক দুটি রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে পৃথকভাবে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। রিট আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ড. বশির আহমেদ ও অ্যাডভোকেট মো. আবু তৌহিদ ভুইয়া প্রিন্স। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

এদিকে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার জন্য খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করে তা হাইকোর্টে দাখিল করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ নীতিমালায় বলা হয়েছে, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য একটি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করতে হবে। কমিটিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের মনোনীত প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সুধীসমাজের প্রতিনিধি থাকবেন। প্রতিটি কমিটি দুই বছরের জন্য গঠিত হবে।

মন্তব্য