kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন মামলা

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে প্রধান চার আসামির আপিল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বহুল আলোচিত নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেছেন মামলার প্রধান চার আসামি। তাঁরা হলেন র‌্যাব-১১-এর তৎকালীন অধিনায়ক লে. কর্নেল (বরখাস্ত) তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর (বরখাস্ত) আরিফ হোসেন, লে. কমান্ডার (বরখাস্ত) মাসুদ রানা (এম এম রানা) এবং নারায়ণগঞ্জের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন।

গতকাল রবিবার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় তাঁদের আবেদন দাখিল করা হয়েছে। তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন, মাসুদ রানা ও নূর হোসেনের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার, মাহবুবুর রহমান, এস এম শাহজাহান ও এস এম লুত্ফুর রহমান আকন্দ। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান কালের কণ্ঠকে আরিফ হোসেনের পক্ষে আপিল করার তথ্য নিশ্চিত করেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর ওই বছরের ২২ জানুয়ারি নিম্ন আদালত থেকে ডেথ রেফারেন্স তথা মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য পূর্ণাঙ্গ রায়সহ যাবতীয় নথি পাঠানো হয় হাইকোর্টে। পরে কারাবন্দি আসামিরা পর্যায়ক্রমে আপিল করেন। এ আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট গত বছর ২২ আগস্ট রায় দেন। গত বছর ১৯ নভেম্বর রায় প্রকাশিত হয়। রায়ে ১৫ জনকে নিম্ন আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। আর ১১ জনকে নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ড সাজার পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া নিম্ন আদালতে ৯ জনকে দেওয়া বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডের রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট। নিম্ন আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য পাঠানো ডেথ রেফারেন্স ও কারাবন্দি আসামিপক্ষে করা আপিলের ওপর শুনানি শেষে এ রায় দেওয়া হয়।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তখনকার কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম লিটন, তাজুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান স্বপন ও নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর এবং অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার সরকার ও তাঁর গাড়িচালক ইব্রাহিমকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় আলাদা দুটি হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ নূর হোসেন, তারেক সাঈদসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল আলাদা চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয়। তবে দুই মামলার অভিযোগপত্রেই আসামি অভিন্ন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা