kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

উপজেলা নির্বাচন নিয়ে সহিংসতা

রায়গঞ্জ ও বাগাতিপাড়ায় ১৮ জন আহত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নাটোরের বাগাতিপাড়ায় তিনজন এবং সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ১৫ জন আহত হয়েছেন। এদিকে নেত্রকোনার পূর্বধলায় পাল্টাপাল্টি হামলা-ভাঙচুরের পর প্রার্থীদের নিয়ে মতবিনিময়সভা করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কার্যালয়।

নাটোর প্রতিনিধি জানান, বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকার প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের ধাওয়াধাওয়ির ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার জিগড়ি বাজারে বিদ্রোহী প্রার্থী ওহিদুল ইসলাম গকুলের সমর্থকরা মোটরসাইকেল নিয়ে প্রচারণা শুরু করলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেকেন্দার রহমানের সমর্থকরা হামলা চালায়। এতে তিনজন আহত হন। ভাঙচুর করা হয় ছয়টি মোটরসাইকেল। এ সময় ধাওয়াধাওয়ির ঘটনা ঘটে। ভাঙচুর করা হয় সেখানে থাকা বিদ্রোহী প্রার্থীর একটি নির্বাচনী ক্যাম্প। এর জের ধরে রাতে সাইলকোনা বাজারে আওয়ামী লীগপ্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও তমালতলা বাজারে বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্প বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার নাসরিন বানু জানান, ঘটনার জন্য উভয় প্রার্থীই পরস্পরকে দায়ী করেছেন। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, গতকাল বিকেলে রায়গঞ্জে উপজেলার ধানগড়া সদর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কর্মিসভার আয়োজন করা হয়। সভা চলাকালে বিকেল ৪টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম হোসেন শুভন সরকারের নেতৃত্বে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়াধাওয়ির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মোট ১৫ জন আহত হন। পরে টিয়ার গ্যাস শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। এ সময় সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসান সুমন সরকারসহ মোট ১১ জনকে আটক করা হয়। পরে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান হাবিব খোকা রায়গঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সব কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

নেত্রকোনা ও পূর্বধলা প্রতিনিধি জানান, পূর্বধলায় প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে আসছে। পাশাপাশি একে অন্যের প্রচারে বাধা, নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর ও পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে গতকাল রবিবার বিকেলে প্রার্থীদের নিয়ে মতবিনিময়সভা করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কার্যালয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা