kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

রোহিঙ্গাদের শিক্ষা কাজের সুযোগ দিতে চাপ

দাতাদের দ্বারস্থ এনজিওরা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রোহিঙ্গাদের শিক্ষা কাজের সুযোগ দিতে চাপ

ছবি কালের কণ্ঠ

আশ্রিত রোহিঙ্গাদের এ দেশে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগকে অগ্রাধিকার দিতে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থাগুলো (আইএনজিও)। জানা গেছে, গত শুক্রবার জেনেভায় রোহিঙ্গাদের জন্য এ বছরের তহবিল ঘোষণার অনুষ্ঠান ঘিরে ওই আহ্বান জানিয়েছে অক্সফাম, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন। উন্নয়ন সহযোগী অনেক দেশ ও সংস্থাও এরই মধ্যে বাংলাদেশের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেছে।

কানাডা সরকারের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত বব রে গত ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গাদের শিক্ষা ও কাজের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি তুলেছিলেন। সেই অনুষ্ঠানেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এর বিরোধিতা করে বলেন, এটি রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি অ্যালেক্স নেভি ও সাদ হামাদি গত বুধবার ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালেও এ দেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের শিক্ষা ও কাজের সুযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। আলেক্স নেভি এক টুইট বার্তায় রোহিঙ্গাদের পড়ালেখা ও কাজের সুযোগের পাশাপাশি অবাধ বিচরণের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন।

অক্সফাম গত সোমবার তার ওয়েবসাইটে সেভ দ্য চিলড্রেন এবং ওয়ার্ল্ড ভিশনকে নিয়ে এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে তারা রোহিঙ্গাদের জন্য অর্থ সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানায়।

ওয়ার্ল্ড ভিশনের রোহিঙ্গা সংকটে সাড়া দানবিষয়ক পরিচালক র‌্যাচেল ওল্ফ বলেন, ‘শিক্ষা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি মানবাধিকার। রোহিঙ্গা শিশু ও তাদের অভিভাবকরা আমাদের বলেছেন যে শিক্ষাই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’

সেভ দ্য চিলড্রেনের রোহিঙ্গা সংকটে সাড়া দানবিষয়ক দলনেতা ডেভি স্কিনার বলেন, ভয়ংকর নিপীড়নের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হওয়ার মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা শিশুদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। এখন বাংলাদেশে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে দ্বিতীয়বার তাদের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়া উচিত নয়।

অক্সফাম বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর দীপঙ্কর দত্ত বলেন, বয়ঃসন্ধিতে উপনীত হলেই রোহিঙ্গা কন্যাশিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। বাংলাদেশ সরকার ও দাতা সংস্থাগুলোর উচিত রোহিঙ্গা শিবিরে নারী ও কন্যাশিশুদের শিক্ষা ও কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা। এতে তারা নিপীড়ন থেকে সুরক্ষা পাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা