kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কালের কণ্ঠ’র প্রথম পাতায় প্রকাশিত ‘আওয়ামী লীগের তালিকায় বিতর্কিত ১২ জন’ শিরোনামের প্রতিবেদনের আংশিক প্রতিবাদ জানিয়েছেন কাজিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খলিলুর রহমান ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল লতিফ প্রধান।

খলিলুর রহমান তাঁর প্রতিবাদপত্রে বলেছেন, ঢাকার মিরপুর, গাজীপুরের কোনাবাড়ী এবং বগুড়ার লতিফপুর এলাকায় ফ্ল্যাট ও জমি থাকার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। সোনালী ব্যাংক কাজিপুর শাখায় এফডিআর থাকার বিষয়টি ভিত্তিহীন। আমার ব্যবহৃত গাড়ির নম্বর ঢাকা মেট্রো-গ-১৯-০৩০৪, এটিও ভিত্তিহীন। এর মালিক বারিধারা ডিওএইচএসের আসাদুজ্জামান চৌধুরী মাসুদ। খলিল বলেন, ভুল তথ্য প্রচারের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের গড়া ‘ক্যারিয়ার’-এর ক্ষতি করা দুঃখজনক।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে সেগুলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা দেওয়া একটি অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। যার কপি কালের কণ্ঠ’র কাছে রয়েছে। এ ছাড়া গাড়ির মালিক কে সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে উল্লিখিত সরকারি চাকরির বিধি ভঙ্গ করে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকা, সিরাজগঞ্জ শহরে পাঁচতলা বাড়ি, বগুড়ার শাহজাহানপুরের জমিসংক্রান্ত তথ্যের বিষয়ে খলিলুর রহমান কোনো প্রতিবাদ জানাননি। এ থেকে বোঝা যায়, বিগত ১০ বছরে তাঁর বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার ঘটনা মিথ্যা নয়।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল লতিফ প্রধান তাঁর প্রতিবাদপত্রে প্রতিবেদনটিতে তাঁকে হেয় করা হয়েছে দাবি করে বলেছেন, যুদ্ধাপরাধ বিচারে সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগটি ট্রাইব্যুনাল থেকে তদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে প্রেরণ করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ বিভাগ তদন্ত করে ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করেছে।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গাইবান্ধা পুলিশ সুপারকে তদন্তের জন্য চিঠি দেওয়ার দাবিটি সত্য নয়। ট্রাইব্যুনাল থেকে পাঠানো চিঠিতে আব্দুল লতিফ ও তাঁর লোকেরা সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে জানিয়ে এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করতে পুলিশ সুপারকে অনুরোধ করা হয়েছে।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা