kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানি শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকার কোথাও মিলনায়তনের অনুমতি না পেয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের মিলনায়তনে আগামী শুক্রবার গণশুনানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকের পর ফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে দেড় ঘণ্টা এ বৈঠক হয় মতিঝিলের ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে।

বৈঠক শেষে ড. কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের গণশুনানি ছিল ২৪ ফেব্রুয়ারি। এটি আগামী শুক্রবার হবে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে এই গণশুনানি সকাল ১০টায় শুরু হয়ে বিকেল ৪/৫টা পর্যন্ত চলবে।’

এই গণশুনানিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল বিএনপি, জেএসডি, গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, নাগরিক ঐক্য ছাড়াও বাম ও গণতান্ত্রিক যেসব দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে জানান আ স ম আবদুর রব।

নিবন্ধন বাতিল হওয়া সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর ২২ প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন, তাঁদের এই গণশুনানিতে আমন্ত্রণ জানানো হবে কি না—এ রকম প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘এগুলো আমার জানা নেই।’

এক সাংবাদিক জামায়াতের ক্ষমা আহ্বান যথেষ্ট কি না জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, ‘আমি মনে করি না এটা যথেষ্ট। মাত্র একজন নেতা ক্ষমা চাওয়ার কথা বলেছেন। তাদের ক্ষমা চাওয়া হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নেওয়ার প্রথম পদক্ষেপ। কিন্তু ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে সব কিছু মাফ হয়ে যাবে না।’

কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে বিএনপির ড. আব্দুল মঈন খান, আবদুস সালাম, জেএসডির আ স ম আবদুর রব, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, জগলুল হায়দার আফ্রিক, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, শহিদুল্লাহ কায়সার, বিকল্পধারার অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী ও গণস্বাস্থ্য সংস্থার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা