kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জবি ছাত্রলীগে সংঘর্ষ

শতাধিক কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা আটক ২

ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। কোতোয়ালি থানা পুলিশের করা মামলায় শতাধিক কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুজনকে।

এদিকে সংঘর্ষকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক জোটের ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধন থেকে হামলার সময় প্রশাসনের রহস্যজনক ভূমিকার নিন্দা জানানো হয়েছে।

জবি শাখা ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি হিসেবে চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন জবি ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতি তরিকুল ইসলামের কর্মী তরিকুল ইসলাম রিমন, সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেলের কর্মী কামরুল ইসলাম, পদপ্রত্যাশী পক্ষের নেতা হাসান আহমেদ খান ও স্থগিত কমিটির সহসভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটন। গত সোমবার রাতে করা মামলায় আরো ১০০ থেকে ১২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক খালিদ শেখ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

ওসি এ বি এম মশিউর রহমান বলেন, কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই এ মামলা।

ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের এক জরুরি সিদ্ধান্তে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের সব কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে তরিকুল ইসলামকে সভাপতি ও শেখ জয়নুল আবেদিন রাসেলকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। নতুন কমিটি হওয়ার পর থেকেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের মধ্যে প্রায় নিয়মিত ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। নিজেদের মধ্যে মারামরি, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ঘটনায় জড়িয়ে যায় অনেক কর্মী। সর্বশেষ গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রেমঘটিত ঘটনায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা