kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রেমে জড়িয়ে বলি হলেন নটর ডেম ছাত্র সালভেজ!

বোরকা পরা ‘সবিতা’ নামের সেই তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বোরকা পরা এক তরুণীকে নিয়ে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজধানীর সবুজবাগ থানার কদমতলার ভাড়া বাসায় প্রবেশ করেন নটর ডেম কলেজের ছাত্র ইয়োগেন হেনছি গোন সালভেজ। বিকেল ৫টার দিকে বাসাটি থেকে একা বের হন ওই তরুণী। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে সালভেজের রক্তাক্ত হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ভবনের ফটকে সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে এই দৃশ্য। গত মঙ্গলবার সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়ে বোরকা পরা ওই তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ। তাঁর নাম সবিতা বলে জানা গেছে। পুলিশের ধারণা, এখন সবিতাকে ধরতে পারলেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন সম্ভব হবে।

কদমতলার ৯ নম্বর লেনের ৭৭/এ নম্বরের পাঁচতলা ভবনটির নিচতলায় ওই বাসাটি ওই দিনই ভাড়া নিয়েছিলেন হেনছি সালভেজ। লাশ উদ্ধারের সময় মরদেহের চারপাশে ঝুট কাপড় আগুন দিয়ে পোড়ানো অবস্থায় পড়েছিল। আরো ছিল একটি জুস ও কেরোসিনের বোতল এবং আগুনে পোড়ানো একটি ম্যাচ।   

তদন্তসংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, জুসের বোতলে চেতনানাশক কিছু ছিল, যা খাইয়ে ওই ছাত্রকে হত্যার আগে অচেতন করা হয়। পরে অচেতন করেই হাত-পা বেঁধে তাঁকে হত্যা করা হয়। ম্যাচ আর কেরোসিনের বোতলের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, হত্যার পর লাশটি পুড়িয়ে ফেলতে চেয়েছিল খুনি। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় সেটা করেননি তিনি।

তদন্তে খুনি সম্পর্কে কিভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের সবুজবাগ জোনের সহকারী কমিশনার মো. রাশেদ হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, ঘটনার পর নিহত নটর ডেম কলেজের ছাত্রের মোবাইল ফোন জব্দ করে তাঁর সম্পর্কে যেমন তথ্য পাওয়া যায়, তেমনি ওই তরুণী সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মেলে। এরপর ওই তরুণীর পরিবারের লোকজন, বন্ধু-বান্ধব এবং সর্বশেষ তরুণী যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন সেখান থেকে তাঁর সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে এভাবেই ওই ছাত্রকে সন্দেহভাজন তরুণীই খুন করেছেন বলে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এর পরও প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ওই তরুণীকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা