kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সোহরাওয়ার্দীতে শিশু ও গাইনি বিভাগ চালু হয়নি

ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে আরেকটি কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দুটি ইউনিট বাদে বাকি সব ইউনিটেই স্বাভাবিক কার্যক্রম চলেছে গতকাল শনিবার। এ ছাড়া অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মামুন মোর্শেদ কালের কণ্ঠকে জানান, আজ (গতকাল) এই হাসপাতালে ২২টি রুটিন অপারেশন হয়েছে। ইনডোরে নতুন-পুরনো মিলিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা গতকাল দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ছিল ৯৪১ জন। আউটডোরে ছিল এক হাজার ৭৮১ জন। এ ছাড়া ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে গাইনি বিভাগের অধ্যাপক ডা. ফাতেমা আশরাফকে প্রধান করে।

ওই সহকারী পরিচালক আরো জানান, এখনো উৎকট গন্ধ থাকায় শিশু ও গাইনি বিভাগ চালু করা যাচ্ছে না। তবে ওই জায়গাও পরিষ্কার করা হয়েছে।

ডা. মামুন মোর্শেদ বলেন, ‘হাসপাতালে যে স্টোরে আগুন লেগেছে সেই স্টোর ছাড়াও অন্য জায়গায় ওষুধ মজুদ আছে, যা দিয়ে সাত-আট দিন চলে যাবে। তবে পুড়ে যাওয়া স্টোরের ভেতরে এখনো অক্ষত অনেক ওষুধ রয়েছে। তবে আগুনের তাপে সেগুলোর কার্যকারিতা স্বাভাবিক আছে কি না সেটা পরীক্ষা করতে হবে। এ জন্য আপাতত ওই ওষুধ আমরা ব্যবহার করছি না।’

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে হাসপাতাল ভবনের একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন পুরো হাসপাতালের রোগীদের হাসপাতাল থেকে বের করে নেওয়া হয়েছিল। পরে রাত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ বাদে বাকি স্বাভাবিক সব ওয়ার্ডে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু হয়। ওই ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে একটি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি এবং ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ ওই দিনই পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা