kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ওষুধের ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া

চিকিৎসকদের সচেতন করার উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওষুধের ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সারা দেশের চিকিৎসকদের সতর্ক ও সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের উপযুক্ত সুচিকিৎসার ব্যাপারেও নির্দেশনা আসছে।

কালের কণ্ঠে গতকাল মঙ্গলবার ‘ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় মৃত্যু ২০!’ শীর্ষক খবর প্রকাশের পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরসহ চিকিৎসক ও ওষুধ খাতে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে দিনভর চলে নানামুখী আলোচনা। ওষুধের ক্ষতি থেকে রোগীর সুরক্ষায় আরো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার উপায় নিয়ে সরব ছিলেন বিশেষজ্ঞরাও। সাধারণ পাঠকরাও ফোনে এ ধরনের জনস্বার্থমূলক সংবাদে আরো বেশি নজর দেওয়ার তাগিদ দেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আগে থেকেই মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে জাতীয় সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস (সিআরভিএস) কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সার্ভেও হয়েছে, যা চলমান। তবে সেখানে আলাদা করে এত দিন ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় মৃত্যুর বিষয়টিতে জোর দেওয়া হয়নি। এখন আমরা ঠিক করেছি নতুন করে সারা দেশে ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় মৃত্যু শনাক্ত এবং রোগীদের চিহ্নিত করতে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হবে। যারা ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তাদের সুচিকিৎসার ব্যাপারেও নির্দেশনা দেওয়া হবে।’

মহাপরিচালক জানান, প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার তিনি নিজে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করে থাকেন। এখন থেকে ওই কনফারেন্সের মাধ্যমেও ওষুধের ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া বিষয়ে চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের সতর্ক ও সচেতন হওয়ার নির্দেশনা এবং পরামর্শ থাকবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আওতায় ডাটা ফর হেলথ-সিআরভিএস কার্যক্রমের দেশীয় সমন্বয়ক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মঈন উদ্দিন আহম্মেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, কালের কণ্ঠ’র খবরটি দেশে মৃত্যু শনাক্তকরণের কাজে বড় ধরনের দিকনির্দেশনা হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা