kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

গ্রামীণফোনের একচেটিয়া প্রাধান্যে নিয়ন্ত্রণ আসছে

তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতাধর হিসেবে ঘোষণা বিটিআরসির

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনকে সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) বা তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতাধর হিসেবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এর ফলে বাজারে প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে গ্রামীণফোনের করণীয় ও বর্জনীয় নির্ধারণ করে দিতে পারবে বিটিআরসি।

গতকাল রবিবার বিটিআরসি এই ঘোষণার কথা গ্রামীণফোনসহ অন্য মোবাইল অপারেটরদের  চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে। এসএমপি ঘোষণার মাধ্যমে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে  গ্রামীণফোনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ পেয়ে যাওয়ার ওপর লাগাম টানতে পারবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেছেন, ‘গ্রাহকদের উপকারের জন্য বাজারে প্রতিযোগিতা ও শৃঙ্খলা আনতে আমরা গ্রামীণফোনকে এসএমপি অপারেটর হিসেবে ঘোষণা করেছি।’

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি টেলিকম খাতের রিপোর্টারদের সংগঠন টিআরএনবির সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে জহুরুল হক বলেছিলেন, ‘এসএমপি হয়ে গেলে সবাই ব্যবসা করতে পারবে। কারো গ্রাহক ৪০ শতাংশের বেশি হবে না।’

গত বছরের ডিসেম্বর মাসে মোবাইল অপারেটরদের জন্য বিটিআরসির জারি করা এসএমপি প্রবিধানমালায় উল্লেখ রয়েছে, কোনো অপারেটরের গ্রাহকসংখ্যা, রাজস্ব অথবা তরঙ্গের দিক দিয়ে ৪০ শতাংশের বেশি বাজার হিস্যা থাকলে তাকে তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতাধর বা এসএমপি হিসেবে ঘোষণা করা যাবে। এর মধ্যে গ্রাহকসংখ্যা ও রাজস্ব আয়ের দিক থেকে এসএমপির শর্তের মধ্যে পড়েছে গ্রামীণফোন। গত বছরের ডিসেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, ৪৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ গ্রাহক নিয়ে গ্রামীণফোন শীর্ষ স্থানে রয়েছে। আর গত কয়েক বছর ধরেই অপারেটরটির রাজস্ব আয় ৫০ শতাংশেরও ওপরে। অন্যদিকে দ্বিতীয় শীর্ষ অপারেটর রবি আজিয়াটার গ্রাহক বাজারের ২৯.৮৭ শতাংশ। বাংলালিংক ও টেলিটকের বাজার হিস্যা ২১.৩৫ শতাংশ ও ২.৪৬ শতাংশ।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস সৈয়দ তালাত কামাল বলেন, ‘এখন আমরা চিঠিটি দেখে করণীয় ঠিক করবো। এসএমপি রেগুলেশনের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন আন্তর্জাতিক ও টেলিযোগাযোগ খাতের সর্বোচ্চ মানসম্মত নিয়মগুলো বিবেচিত হবে বলে প্রত্যাশা করে। যার মাধ্যমে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়ন এবং প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার মাধ্যমে সবার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা