kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

পাওনা টাকা চাওয়ায় রাসেলকে হত্যা

দুই আসামির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর কদমতলীতে তিন বছর আগে রাসেল খুন হওয়ার নেপথ্যের কারণ উদ্ঘাটিত হয়েছে। পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় ২২ বছরের এ তরুণকে। তবে স্থানীয় থানার পুলিশের তদন্তে এ খুনের কোনো রহস্য উদ্ঘাটিত হয়নি। আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুনরায় তদন্ত করে খুনের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বাগেরহাট থেকে এ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সজল ওরফে পিচ্চি সজলকে (২২) এবং ঢাকার শ্যামপুর থেকে হোসেন বাবু ওরফে হুন্ডা বাবুকে শনিবার গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ওই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি চাকুও উদ্ধার করা হয়। গতকাল রবিবার দুই আসামি ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

পিবিআইয়ের ঢাকা মেট্রোর (উত্তর) বিশেষ পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ জানান, রাসেল পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে চাকরির সন্ধানে খুলনা থেকে ঢাকায় আসেন। পরের মাসে এক রাতে রাসেলের মা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খবর পান যে তাঁর ছেলে ছুরিকাহত হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। এ ঘটনায় রাসেলের মা রাশিলা বেগম অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় মামলা করেন। কিন্তু থানার পুলিশের তদন্তে খুনের রহস্য উদ্ঘাটিত না হওয়ায় আদালতের নির্দেশে পিবিআইয়ের ঢাকা (উত্তর) উপপরিদর্শক আল-আমিন শেখ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন। তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে শনিবার সকালে পিচ্চি সজলকে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের আমতলী থেকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাতে হুন্ডা বাবুকে শ্যামপুরের হাজিগেট ব্যাংক কলোনি থেকে আটক করা হয়। গতকাল ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হলে এ দুজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পিবিআই জানতে পারে, সজলের বাড়ি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে। রাসেলের গ্রামে বিয়ের সুবাদে উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা