kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

আইএমইআই ডাটা বেইস চালু হচ্ছে আজ

বিশেষ প্রতিনিধি   

২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চোরাই পথে দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি বন্ধের পাশাপাশি এর বৈধতা নিশ্চিত করতে বহুল প্রত্যাশিত ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি বা আইএমইআই ডাটা বেইস চালু হচ্ছে আজ। এই সেবা চালু হওয়ার পর গ্রাহক মোবাইল ফোনসেট কেনার সময় এসএমএসের মাধ্যমে জেনে নিতে পারবেন সেটটি বিটিআরসির ডাটা বেইসে নিবন্ধিত কি না। নিবন্ধিত না থাকলেই বোঝা যাবে যে সেটটি অবৈধ।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রথম পর্যায়ে নতুন সেটের আইএমইআই নম্বর এই ডাটা বেইসে নিবন্ধিত হবে। পরে দেশে ব্যবহৃত আরো প্রায় আট কোটি সেটের আইএমইআই নিবন্ধন করা হবে। ফলে মোবাইল হ্যান্ডসেটের চোরা কারবার বন্ধের পাশাপাশি এর অপব্যবহারও কমে আসবে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রধান সম্মেলন কক্ষে আজ মঙ্গলবার  বিকেলে এই ডাটা বেইস উদ্বোধন করবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ) এবং মোবাইল অপারেটরগুলোর কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

মোবাইল সেটের আইএমইআই নম্বর নিবন্ধন বা এর ডাটা বেইস গড়ে তোলার জন্য দুই বছরের বেশি সময় আগেই উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৫ সালের ২১ নভেম্বর টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত মোবাইল ‘ডিভাইসেস অ্যান্ড ইটস রোল ইন ন্যাশনাল সিকিউরিটি’ শীর্ষক এক বৈঠকে তৎকালীন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছিলেন, দেশের জনসাধারণের নিরাপত্তা ও স্বস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে সিম রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি সেটের আইএমইআই নম্বর রেজিস্ট্রেশনও জরুরি। সিম রেজিস্ট্রেশনের কাজ শেষ হলে এই কাজ শুরু হবে।

জানা যায়, সম্প্রতি মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বিটিআরসিতে এই ডাটা বেইস স্থাপন করা হয়েছে। তাতে মোবাইল ফোন অপারেটরদের আমদানি করা সব ফোনের আইএমইআই নম্বর সংরক্ষণ করা হচ্ছে। গ্রাহকরা কোনো হ্যান্ডসেট কেনার আগে সেই সেটের ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরটি ১৬০০২ নম্বরে এমএমএস করলে নম্বরটি নিবন্ধিত কি না তা জানতে পারবে।

মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি জাকারিয়া শহীদ গতকাল সোমবার কালের কণ্ঠকে বলেন, এরই মধ্যে ডাটা বেইসটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালিয়ে শতভাগ সফলতা পাওয়া গেছে। এটি বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়ার দু-তিন দিন পর জানা যাবে কোনো ত্রুটি আছে কি না। তিনি বলেন, বাজারে থাকা ৩০ শতাংশ মোবাইল ফোনসেট বৈধভাবে আমদানি হয় না। এসব সেট আমদানির জন্য বিটিআরসির অনুমতিও নেওয়া হয় না। অন্যদিকে বৈধভাবে আনা সেটের আইএমইআই নম্বর বিটিআরসিকে জানাতে হয়। সেই নম্বরগুলো ডাটা বেইসে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) জাকির হোসেন খান জানান, আইএমইআই ডাটা বেইস সম্পূর্ণ হলে পর্যায়ক্রমে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালু হবে। তখন গ্রাহকদের হ্যান্ড সেট চুরি বা হারিয়ে গেলে সেটটি বন্ধ করে দেওয়াসহ সেটির অবস্থান শনাক্ত করতে সহযোগিতা করবে এনইআইআর।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা