kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ নেতাকে ছুরিকাঘাত

বহিরাগত যুবককে পিটুনি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পূর্বশত্রুতার জেরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজের গলায় প্রকাশ্যে ছুরি চালিয়েছে বহিরাগত এক যুবক। গত রবিবার রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের পাশে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এক যুবককে পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে ইমতিয়াজ থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন সাহেব বাজার এলাকার বাঁধন, কাজলা এলাকার সম্রাট ও ইশতিয়াক রুমেল। আটক আদিব রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক।

ছাত্রলীগ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার রাত ৮টার দিকে ইমতিয়াজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার বঙ্গবন্ধু হলের পাশে দোকানে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় পাঁচ-সাতটি মোটরসাইকেল নিয়ে বহিরাগত কয়েকজন ওই দোকানের সামনে এসে আচমকা একজন ইমতিয়াজের গলায় ছুরি মেরে পালিয়ে যায়। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধাওয়া দিয়ে আদিবকে আটক করে বঙ্গবন্ধু হলে নিয়ে আসে।

হল সূত্রে জানা যায়, উত্তেজিত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বেশ কয়েকবার আদিবের ওপর চড়াও হয় এবং মারধরও করে। উত্তেজনা বাড়তে থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টরিয়াল বডি, হল প্রাধ্যক্ষ ও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। উপাচার্য পুলিশি নিরাপত্তায় আদিবকে থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।  হল থেকে বের করার মুহূর্তে নেতাকর্মীরা আদিবকে পুলিশের কাছ থেকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তার ওপর ফেলে আবারও মারধর করে। পুলিশ আদিবকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। গতকাল সোমবার তাঁকে থানায় আনা হয়।

এ ব্যাপারে ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘ঘটনার কিছুক্ষণ আগে কাজলা গেটে বহিরাগতদের সঙ্গে আমাদের নেতাকর্মীদের ঝামেলা হয়। এরপর বহিরাগতরা ইমতিয়াজকে ছুরিকাঘাত করে। আমরা একজনকে আটক করেছিলাম। সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে মারধর করে পুলিশে দিয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘আরিফকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলায় বাঁধন নামের এক যুবককে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক নেতা মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেন। তবে সেই নেতার পরিচয় জানা যায়নি। এর কিছুক্ষণ পরই ইমতিয়াজকে ছুরিকাঘাতের এ ঘটনা ঘটে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা