kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

খাদ্য কর্মকর্তার অফিসে ভাঙচুর অভিযোগ ফায়ার কর্মীদের বিরুদ্ধে

বরিশাল অফিস   

২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বরিশাল সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। রেশনের মালপত্র প্রদানে হয়রানির অভিযোগে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ভাঙচুর করেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষের হাতাহাতি ও সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বিকেল ৩টার দিকে রেশন তুলতে আসেন। এর আগেই গোডাউনের শ্রমিকরা চলে যাওয়ায় পরদিন আসতে বলা হয়েছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বাহিনীর অন্য সদস্যদের ডেকে নেন। তাঁরা অফিসে ঢুকে ভাঙচুর ও কর্মচারীদের মারধর করেছেন। ঘটনার সময় আমি জেলা অফিসে ছিলাম। খবর পেয়ে ফিরে অফিস কক্ষ তছনছ দেখতে পাই। হামলায় উপখাদ্য পরিদর্শক হুমায়ুন কবির, উপসহকারী খাদ্য কর্মকর্তা তপনসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।’

বরিশাল সদর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘খাদ্য কর্মকর্তার অফিস থেকে প্রতি মাসে রেশনের চাল ও গম ওজনে কম দেওয়া হয়। গত মাসে এ নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রতিবাদ করেন। এ অবস্থায় খাদ্য অফিসের স্টাফরা রেশনের চাল ও গম দিতে টালবাহানা করতে থাকেন। এ মাসে রেশন তুলতে গেলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সঙ্গে বাগিবতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে খাদ্য অফিসের স্টাফরা হামলা চালান ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ওপর। সেখানে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ভাঙচুরের অভিযোগ সত্য নয়।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আলাউদ্দিনকে খাদ্য অফিসে লাঞ্ছিত করা হলে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর বিকেল ৩টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ২৫-৩০ জন কর্মী গাড়ির ভেঁপু বাজিয়ে একযোগে খাদ্যগুদাম এলাকায় ঢুকে পড়েন। তখন ভাঙচুর ও সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

অপ্রীতিকর এ ঘটনায় গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। পুলিশ কাউকে আটক করেনি। সরকারি দুটি বিভাগের কর্মীদের মধ্যে বিরোধের ঘটনা আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা