kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

মিস কালচার ওয়ার্ল্ডওয়াইড

প্রিয়তা শোনালেন শিরোপা জয়ের কাহিনি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রিয়তা শোনালেন শিরোপা জয়ের কাহিনি

বাংলাদেশের মেয়ে প্রিয়তা ইফতেখার সম্প্রতি ‘মিস কালচার ওয়ার্ল্ডওয়াইড’ খেতাব জিতেছেন। দেশের নারী সাংবাদিকতার পথিকৃৎ নূরজাহান বেগমের নাতনি তিনি। তাঁর নানা হলেন কচি-কাঁচার মেলার প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক রোকনুজ্জামান খান (দাদাভাই)। পারিবারিকভাবে সাংস্কৃতিক আবহে বেড়ে ওঠা এ তরুণী শোবিজ জগতে তেমন পরিচিত না হলেও এরই মধ্যে দেশ-বিদেশ থেকে কয়েকটি শিরোপা জয় করেছেন।

বিশ্বব্যাপী সংস্কৃতি আদান-প্রদানের লক্ষ্যে মিস কালচার ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। জিম্বাবুয়ের জাতীয় ব্র্যান্ডিং ও বিনিয়োগ ফার্মের আয়োজনে ৫০টি দেশের অংশগ্রহণে গত ১৬ ডিসেম্বর হারারেতে বসে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আসর। বিজয় দিবসের রাতে এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন প্রিয়তা ইফতেখার।

শিরোপা জয়ের পর গতকাল বুধবার প্রথম গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন প্রিয়তা। শোনালেন তাঁর বিজয়ী হওয়ার পেছনের গল্প ও স্বপ্নের কথা। বললেন, ‘বিজয়ের দিনে এমন একটি অর্জনে আমি খুব আনন্দিত। বিশ্বের বুকে লাল সবুজের পতাকা ওড়ানোর তৃপ্তিটা বলে শেষ করা যাবে না। পুরো প্রতিযোগিতায় আমি বাংলাদেশকে তুলে ধরেছি। কেননা আমার মূল লক্ষ্যই ছিল দেশের সংস্কৃতিকে বিশ্বে তুলে ধরা।’

প্রিয়তার এই অর্জনকে দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে গতকাল শিওরসেল মেডিক্যাল (বিডি) লিমিটেড সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রিয়তার চিকিৎসক ও কনসালট্যান্ট ডা. তাওহিদা রহমান ইরিন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাংবাদিক রাবেয়া বেবী।

ডা. তাওহিদা রহমান ইরিন বলেন, প্রিয়তা বাংলাদেশের জন্য এনেছেন নতুন এক সম্মান। জিম্বাবুয়ের হারারেতে দ্য ভেন্যু আভান্ডলেতে এক বর্ণিল অনুষ্ঠানে ১৫টি দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে মুকুট জিতেছেন প্রিয়তা। ‘মিস কালচার ওয়ার্ল্ড ওয়াইড’ প্রতিযোগিতায় এটাই বাংলাদেশের প্রথম অর্জন।

প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হয়েছেন জাম্বিয়ার বিশ্বাস মুকনকো এবং দ্বিতীয় রানার-আপ হয়েছেন জিম্বাবুয়ের ওয়েন্ডি মাতুরি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা