kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

চিকিৎসক মারধরের ঘটনায় পুলিশকর্তা প্রত্যাহার, বিক্ষোভ

রংপুর অফিস   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক পুলিশ কর্মকর্তার হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে অভিযুক্ত ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাঁদের নিরাপত্তাসহ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঊরুতে ফোড়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী থানার এএসআই আব্দুর রাকিব। গত মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালে তাঁর ফোড়ার অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর স্যালাইনের পাইপে রক্ত উঠে যায়। রাকিব নার্সদের ডাকলে কোনো সাড়া না পেয়ে ক্ষুব্ধ হন। এ সময় ওই ওয়ার্ডে অন্য রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে ব্যস্ত হাসপাতালের চিকিৎসক সঞ্জয় কুমার রায়কে গালমন্দ করেন রাকিব। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রাকিব এবং তাঁর দুই ভাই সেনাবাহিনীতে কর্মরত সৈনিক ও পুলিশ কনস্টেবল চিকিৎসক সঞ্জয়কে মারধর করেন।

চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় ওয়ার্ডে হট্টগোল শুরু হলে অন্য চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। চিকিৎসক সঞ্জয়কে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। এ সময় চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ চিকিৎসকরা বিক্ষোভ করে পুলিশের ওই কর্মকর্তার বিচার দাবি করেন। বিক্ষুব্ধ চিকিৎসকদের শান্ত করতে হাসপাতালের পরিচালক, মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ, পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অন্য চিকিৎসকদের নিয়ে রাতেই বৈঠক হয়। এদিকে গতকাল বুধবার দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ)। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এএসআই রাকিবকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া না হলে আগামী শনিবার রংপুরের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকদের নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা