kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ওবায়দুল কাদের বললেন

টিআইবি এখন রূপকথার কাহিনি শোনাচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একাদশ সংসদ নির্বাচনকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত’ বলা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে টিআইবি কেন এত দিন পর কথা বলছে, তা নিয়েও প্রশ্ন রেখেছেন তিনি। ভোটকেন্দ্রে প্রশ্ন না তুলে টিআইবি এখন কেন এই ‘রূপকথার কাহিনি’ সাজাচ্ছে তার রহস্য সরকার জানে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গতকাল বুধবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বর্ধিত সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক টিআইবিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হয়েছে। আপনাদের কেউ অথবা প্রতিপক্ষের একজন প্রতিনিধি নির্বাচনের দিন যখন ভোটগ্রহণ শুরু হয় তখন কী একটি কেন্দ্রে চ্যালেঞ্জ করেছে? একজন এজেন্ট প্রতিবাদ করেছে? টিআইবির কোনো প্রতিনিধি কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে প্রতিবাদ করেছে? স্বচ্ছতার বিরুদ্ধে কথা বলেছে? তখন না বলে এত দিন পর কেন? তখন বলেননি, তখন বলার কোনো কারণ খুঁজে পাননি, এত দিন পর এই অলীক, অবিশ্বাস্য রূপকথার কাহিনি কেন সাজাচ্ছেন, আমরা তা জানি। এর রহস্য আমরা জানি। এর জবাব বাংলাদেশের জনগণই দেবে।’

‘ভোট চুরির’ জন্য প্রকাশ্য স্টেডিয়ামে গিয়ে ক্ষমা চাইতে বলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনাও করেন কাদের। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে কারচুপির জন্য মির্জা ফখরুল আমাকে স্টেডিয়ামে গিয়ে মাফ চাইতে বললেন। মির্জা ফখরুল বেপরোয়া চালক, কখন যে অ্যাকসিডেন্ট ঘটান, সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে? মির্জা সাহেব আপনি যে জিতলেন, কারচুপি হলে সেখানে আপনি কেমন করে জিতলেন, এটার জবাব দিন।’

বিএনপি মহাসচিবের সমালোচনা করে কাদের বলেন, ‘আন্দোলনে ব্যর্থতা, নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়, লজ্জা-শরম থাকলে আপনার আরো আগে পদত্যাগ করা উচিত ছিল। আমাকে ক্ষমা চাইতে বলেন? কোন দোষে? শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বতঃস্ফূর্ত গণজাগরণ ভালো লাগছে না? ভালো তো লাগবেই না। এই অভূতপূর্ব ফলাফল, পঁচাত্তর-পরবর্তীকালে এই গণজাগরণ বাংলাদেশে কেউ আর কখনো দেখেনি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা