kalerkantho

রবিবার। ১০ নভেম্বর ২০১৯। ২৫ কার্তিক ১৪২৬। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জুলহাজ ও মাহবুব তনয় হত্যা

আরেক আসামি গ্রেপ্তার তিন দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আরেক আসামি গ্রেপ্তার তিন দিনের রিমান্ডে

রাজধানীর কলাবাগানের লেক সার্কাস রোডের বাড়িতে জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব তনয়কে হত্যা মামলার আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। তার নাম আসাদুল্লাহ (২৫)। গত মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল তাকে আদালতে পাঠিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত তিন দিন মঞ্জুর করেন। সে বিভিন্ন সময়ে ফখরুল, ফয়সাল, জাকির ও সাদিক নাম ব্যবহার করেছে। 

আসাদুল্লাহর গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মদনপুর গ্রামে। বাবার নাম এমদাদুল হক। তিনি জামায়াতে ইসলামীর রুকন ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে গাজীপুরের টঙ্গীতে মরকুন কবরস্থান গেট এলাকায় থাকছিল আসাদুল্লাহ।

গতকাল বুধবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম জানান, এ পর্যন্ত এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। হত্যাকাণ্ডে সাতজন অংশ নেয়। এদের মধ্যে দুজন বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল। বাকি পাঁচজনের মধ্যে তিনজন সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠে। দুজন গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা দারোয়ানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে আটকে রাখে। এই দুজনের একজন হলো আসাদুল্লাহ।

এর আগে চাঞ্চল্যকার এ মামলার আসামি আরাফাত ওরফে শামস ওরফে সিয়াম ওরফে সাজ্জাদ, সায়মন ওরফে শাহরিয়ার ও আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়েরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনজনই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল কলাবাগানের লেক সার্কাস রোডের বাড়িতে ঢুকে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডির কর্মকর্তা জুলহাজ মান্নান ও তাঁর বন্ধু নাট্যকর্মী মাহবুব তনয়কে কুপিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ ঘটনায় জুলহাজের বড় ভাই মিনহাজ মান্নান কলাবাগান থানায় মামলা করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মদনপুর দাখিল মাদরাসা থেকে পাস করে আসাদুল্লাহ। এরপর যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে মেকানিক্যাল বিভাগে পড়া শুরু করে। ২০১৫ সালে জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে যোগ দেয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা