kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

বোতলজাত খাবার পানির মান নির্ণয়ের নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাজারে সরবরাহ করা জার ও বোতলজাত খাবার পানির গুণগত মান নির্ণয় করে হাইকোর্টকে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ ও নিম্নমানের জার এবং বোতলজাত খাবার পানি উৎপাদন ও বাজারজাত বন্ধে গঠিত কমিটি কী কাজ করেছে তার সবিস্তার প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনকে (বিএসটিআই) এক সপ্তাহের মধ্যে এ প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে বলা হয়েছে। আগামী ২১ জানুয়ারি পরবর্তী আদেশের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ আদেশ দেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাম্মী আক্তারের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএসটিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান। রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. জে আর খান রবিন।

এর আগে বিএসটিআইয়ের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের নিজস্ব সার্ভিলেন্স টিমের মাধ্যমে সম্প্রতি বাজার ও কারখানা থেকে ৩৮টি নমুনা সংগ্রহ করে বিএসটিআই ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। এ পরীক্ষায় ১৭টি কৃতকার্য হয়েছে। আর ২০টি অকৃতকার্য হয়েছে। এরপর তিনটি লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ২৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৮৭টি মামলা ও ৩৫টি কারখানা সিলগালা করা হয়েছে। ৪৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ৬৯ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিএসটিআইয়ের এই প্রতিবেদনে আদালত সন্তুষ্ট হতে পারেননি। আদালত পানির মান পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন। এই প্রতিবেদন দিতে গতকাল সময় চেয়ে আবেদন করে বিএসটিআই। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নতুন করে আদেশ দেন।

হাইকোর্ট গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এক আদেশে বেআইনিভাবে বোতলজাত খাবার পানি বাজারে সরবরাহ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিএসটিআই ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। এ ছাড়া আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে বিএসটিআই কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা ১৫ দিনের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনার পাশাপাশি রুল জারি করেন। রুলে প্লাস্টিক বোতল ও জারে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে সরকারের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং প্লাস্টিক বোতল ও জারে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। খাদ্য ও স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সাতজনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা