kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

অমর একুশে গ্রন্থমেলা

এবার থাকবে ‘লেখক বলছি’ মঞ্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একাত্তরের বিজয়ের অন্যতম স্মারক ‘স্বাধীনতা স্তম্ভ’ গড়া হয়েছে বাংলা একাডেমির অদূরে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। এ ছাড়া দুই বছর পরই স্বাধীনতার ৫০ বছর এবং এক বছর পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ। এসব গৌরবোজ্জ্বল উপলক্ষ সামনে রাখে বিজয় থিমে সাজছে অমর একুশে বইমেলা ২০১৯। মেলায় প্রথমবারের মতো থাকছে ‘লেখক বলছি’ মঞ্চ। মঞ্চে প্রতিদিন পাঁচজন লেখক তাঁর নতুন বই নিয়ে কথা বলবেন। এ ছাড়া এবার পুরো মেলাকে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমের (জিপিএস) আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি এবার স্টল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না রাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

জানা যায়, বিজয় থিমে বইমেলাকে সাজানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স্থপতি এনামুল করিম নির্ঝর নকশা করছেন। এবার মেলার স্বাধীনতা স্তম্ভের পাশ ঘেঁষে যে টিনের প্রাচীর দেওয়া হয়, সেটি এবার থাকছে না। পুরো অংশটি খোলা রাখা হবে। স্বাধীনতা স্তম্ভের গ্লাস টাওয়ারের আলোয় আলোকিত হবে মেলা প্রাঙ্গণ। বইমেলায় বসার স্থান, মানসম্মত টয়লেট, সহনশীল দামে খাবার না পাওয়া নিয়ে অনেক পাঠক অভিযোগ তোলে। বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ সমস্যাগুলো নিরসনে কাজ করছে।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী গতকাল সোমবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বইমেলাকে প্রাণবন্ত ও কার্যকর করতে নানা উদ্যোগ নিয়েছি। লেখক বলছি মঞ্চ তেমনই একটি উদ্যোগ। প্রত্যেক লেখক এখানে নিজে তাঁর বই নিয়ে আট মিনিট, উপস্থাপক দুই মিনিট বলার পর দর্শকদের প্রশ্নোত্তরের পর্ব থাকবে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে পাঠক ক্রেতারা মেলায় প্রকাশিত ভালো বইগুলো নিয়েও জানতে পারবেন।’

রাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হবে না জানিয়ে কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, ‘আমরা অভিযোগ পেয়েছি রাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত রয়েছে কিছু প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। আমরা অভিযোগ খতিয়ে দেখে যদি প্রমাণ পাই সত্যি কোনো প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত রয়েছে, তাহলে তাদের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হবে না।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা